• শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০৯:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মে দিবস উপলক্ষে শ্রমিকদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আহ্বান বোরহানউদ্দিনে জেলেদের প্রণোদনায় ‘নাম আছে, জেলে নেই’—বঞ্চিত প্রকৃত উপকারভোগী আজ ২৯ এপ্রিল ইতিহাসের এই দিনে লন্ডভন্ড হয় ভোলাসহ উপকূলীয় এলাকা ভোলায় এক ঘণ্টার বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে ভোলার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের রাস্তা। ‎বোরহানউদ্দিনে সরকারের টিফিনে শিক্ষার্থীদের জন্য কাঁচা কলা, ক্ষোভ অভিভাবকদের রিয়াজ সভাপতি সোহেল সম্পাদক, ভোলায় মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের কমিটি গঠন। ভোলায় ইজিপিপি’র আওতায় খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন  ভোলায় ইএসডিও’র উদ্যোগে দিনব্যাপী চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত, ১১৭ জনের চাকরি নিশ্চিত ভোলায় ইজিপিপি’র আওতায় খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে তেতুলিয়ায় অবৈধ বালু উত্তোলনে এক লাখ টাকা জরিমানা

মুখরোচক খেজুর রস আহরণে ব্যস্ত গাছীরা।

NEWS ROOM / ১১২ বার ভিউ
আপডেট : মঙ্গলবার, ২ জানুয়ারি, ২০২৪

আরিফুর রহমান ঝন্টু, দশমিনা সংবাদদাতাঃ।

পটুয়াখালী জেলার দশমিনা উপজেলায় গ্রাম বাংলার আবহমান ঐতিহ্যবাহী খেজুর রস আহরণে ব্যস্ত গাছীরা। সকালের কুয়াশা ভেদ করা ভোরের সূর্যের লাল অভায় আর পাঁখিদের কিচিরমিচির ডাকে উস্ন বিছানার মিতালি ছেড়ে জীবিকা নির্বাহে নেমে পড়ে খেজুর রস আহরণে।

গত ১৫ বছর ধরে প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে এঅঞ্চলে খেজুর গাছের সংকট দেখা দিলেও গত তিন চার বছরের তুলনায় এবছর গাছে রস মিলছে। কুয়াশা মাখা শীতের ভোরে ও শেষ বিকেলে রস সংগ্রহ করতে দেখা গেছে গ্রাম গঞ্জের গাছিদের। শীত যত বাড়বে রসের স্বাদ তত বাড়বে। গাছিরা তাল পাতার ঢোলা বানিয়ে ভেতরে গাছ কাঁটার দাঁ ’কাচি, ও যাবতীয় সরমজান ভরে কোমড়ের সাথে মোটা রশি বেঁধে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দিনের প্রতিটা মুহুর্ত চসে বেড়ায় এগাছ থেকে ও গাছে। এভাবেই গত ২০ বছর ধরে গাছ কেঁটে রস সংগ্রহ করাই যেনো তার পেশা।

সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত ছেলেকে নিয়ে সারা দিনের পরিশ্রম করে হাঁড়ি ভর্তি রসে যেনো মুখে হাঁসির দেখা মিলছে। স্থানীয়দের চাহিদা পুরন করে রস দিয়ে মিঠা তৈরি করে বিক্রি করছে বিভিন্ন হাট বাজারে।শীতের শুরু থেকে গাছের পরিচর্যা করে শীত মৌসুমে রস সংগ্রহ করে গুড় তৈরির কাজে ব্যস্ত থাকেন গাছিরা।

পাটালি গুড় তৈরি করে বাজারে প্রতি কেজি বিক্রি করে ২২০ থেকে ২৫০ টাকা দরে। উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নে সরেজমিনে দেখা মিললে গাছি ফয়সালুর রহমান বলেন, সে প্রতি বছর খেঁজুর গাছ কেঁটে রস সংগ্রহ করে গুড় তৈরি করে বাজারে বিক্রি করে আর এতেই অনেক লাভোবান হন।

তিনি আরো বলেন, প্রতি বছর রস দিয়া শীতের চসি পিঠা ও পায়য়াস তৈরি হয় এবং রস দিয়ে সাজের পিঠা বানিয়ে খেতে খুব সুস্বাদু হয়। জীবিকা নির্বাহে হাঁড়ি ভর্তি রসের আয় দিয়েই চলে ফয়সালের সংসার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ

ক্যাটাগরি