• সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
৩০ জুলাই একযোগে এসএসসির ফল প্রকাশ। বোরহানউদ্দিনে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘবদ্ধ হামলার অভিযোগ,নারীসহ আ’হত ৫ ভোলার পথে ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ ভোলার দৌলতখানে সাপের দংশনে জেলের মৃত্যু! ভোলার লালমোহনে বাসচাপায় প্রা’ণ গেল ৬ বছরের শিশু মাইশার। বোরহানউদ্দিনে বাড়িতে গাঁজার গাছ রোপণের অভিযোগে যুবক আটক। ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। বোরহানউদ্দিনে চর থেকে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রির অভিযোগ,ক্ষতির মুখে কৃষিজমি। আগামীকাল ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না ভোলার বিস্তীর্ণ এলাকায়,আগাম প্রস্তুতির আহ্বান। ভোলা, ইলিশা–চরফ্যাশন মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার নিয়ন্ত্রণের দাবি, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতে বাস মালিক সমিতির সংবাদ সম্মেলন।

মুখরোচক খেজুর রস আহরণে ব্যস্ত গাছীরা।

NEWS ROOM / ১৩৬ বার ভিউ
আপডেট : মঙ্গলবার, ২ জানুয়ারি, ২০২৪

আরিফুর রহমান ঝন্টু, দশমিনা সংবাদদাতাঃ।

পটুয়াখালী জেলার দশমিনা উপজেলায় গ্রাম বাংলার আবহমান ঐতিহ্যবাহী খেজুর রস আহরণে ব্যস্ত গাছীরা। সকালের কুয়াশা ভেদ করা ভোরের সূর্যের লাল অভায় আর পাঁখিদের কিচিরমিচির ডাকে উস্ন বিছানার মিতালি ছেড়ে জীবিকা নির্বাহে নেমে পড়ে খেজুর রস আহরণে।

গত ১৫ বছর ধরে প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে এঅঞ্চলে খেজুর গাছের সংকট দেখা দিলেও গত তিন চার বছরের তুলনায় এবছর গাছে রস মিলছে। কুয়াশা মাখা শীতের ভোরে ও শেষ বিকেলে রস সংগ্রহ করতে দেখা গেছে গ্রাম গঞ্জের গাছিদের। শীত যত বাড়বে রসের স্বাদ তত বাড়বে। গাছিরা তাল পাতার ঢোলা বানিয়ে ভেতরে গাছ কাঁটার দাঁ ’কাচি, ও যাবতীয় সরমজান ভরে কোমড়ের সাথে মোটা রশি বেঁধে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দিনের প্রতিটা মুহুর্ত চসে বেড়ায় এগাছ থেকে ও গাছে। এভাবেই গত ২০ বছর ধরে গাছ কেঁটে রস সংগ্রহ করাই যেনো তার পেশা।

সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত ছেলেকে নিয়ে সারা দিনের পরিশ্রম করে হাঁড়ি ভর্তি রসে যেনো মুখে হাঁসির দেখা মিলছে। স্থানীয়দের চাহিদা পুরন করে রস দিয়ে মিঠা তৈরি করে বিক্রি করছে বিভিন্ন হাট বাজারে।শীতের শুরু থেকে গাছের পরিচর্যা করে শীত মৌসুমে রস সংগ্রহ করে গুড় তৈরির কাজে ব্যস্ত থাকেন গাছিরা।

পাটালি গুড় তৈরি করে বাজারে প্রতি কেজি বিক্রি করে ২২০ থেকে ২৫০ টাকা দরে। উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নে সরেজমিনে দেখা মিললে গাছি ফয়সালুর রহমান বলেন, সে প্রতি বছর খেঁজুর গাছ কেঁটে রস সংগ্রহ করে গুড় তৈরি করে বাজারে বিক্রি করে আর এতেই অনেক লাভোবান হন।

তিনি আরো বলেন, প্রতি বছর রস দিয়া শীতের চসি পিঠা ও পায়য়াস তৈরি হয় এবং রস দিয়ে সাজের পিঠা বানিয়ে খেতে খুব সুস্বাদু হয়। জীবিকা নির্বাহে হাঁড়ি ভর্তি রসের আয় দিয়েই চলে ফয়সালের সংসার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ

ক্যাটাগরি