• মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
চরফ্যাশনে পুলিশের অভিযানে ৩৩ পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক শিশুকে বাঁচাতে গিয়ে সড়কে উল্টে পড়লেন সাংবাদিক ছোটন সাহা ঢেউয়ের তোড়ে মেঘনায় মাছ ধরার নৌকা ডুবি,বাবা-ছেলেকে জীবিত উদ্ধার পূজার ঢাক বাজতে আর দেরি নেই, বেহাল রাস্তায় দুশ্চিন্তায় ভোলার ওয়েস্টার্ন পাড়াবাসী ‘উৎসবের আগেই রাস্তা চাই’—সংস্কারের দাবিতে শত শত মানুষের মানববন্ধন ‎যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে নির্যাতনের অভিযোগ, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ সেতুর স্বপ্ন থেকে নতুন মহাসড়ক—শ্রীপুরবাসীর চাওয়া শুধু একটি সংযোগ রাতের লঞ্চে ভোলার দীর্ঘশ্বাস: সড়ক নয়, সেতুই চায় দ্বীপবাসী ভোলা-বরিশাল সেতুর দাবিতে ঢাকায় কাল গণমিছিল ভোলায় দিনদুপুরে প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি: ২০ ভরি স্বর্ণালংকার লুট ভোলার সঙ্গে ঢাকার সড়কপথে সরাসরি সংযোগের স্বপ্ন—প্রস্তাবিত মহাসড়ক নিয়ে অবহিতকরণ সভা

ভরা মৌসুমেও মেঘনায় কাঙ্ক্ষিত ইলিশের দেখা নেই, দুশ্চিন্তায় মনপুরার জেলে পরিবার।মাছের সংকটে বাড়ছে ঋণের বোঝা, লোকসানে জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ী; অনুকূল পরিবেশে পরিস্থিতি উন্নতির আশা মৎস্য বিভাগের।।

NEWS ROOM / ৪৬ বার ভিউ
আপডেট : শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬




সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার মোঃ শাকিল খান রাজু।

বর্ষার ভরা মৌসুমে মেঘনা নদীতে সাধারণত ইলিশের প্রাচুর্য থাকে। নদীতে জাল ফেললেই ধরা পড়ে ঝাঁকে ঝাঁকে রুপালি ইলিশ। মাছে ভরে ওঠে ঘাট, আর জেলেদের মুখে ফুটে ওঠে স্বস্তির হাসি। কিন্তু চলতি মৌসুমে সেই চিরচেনা দৃশ্য যেন অনেকটাই অনুপস্থিত। ভরা মৌসুমেও ভোলার দ্বীপ উপজেলা মনপুরার মেঘনা নদীতে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশের দেখা। ফলে দুশ্চিন্তা ও অনিশ্চয়তায় দিন কাটছে হাজারো জেলে পরিবারের।

শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার রামনেওয়াজ মাছ ঘাট, হাজিরহাট মৎস্যঘাট, দক্ষিণ সাকুচিয়া জনতা বাজার মৎস্যঘাট,মাঝেরঘাট, উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের খারির খালসহ চরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলেপল্লী ঘুরে দেখা যায়, মাছ না পাওয়ার হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে জেলেদের মধ্যে। অনেকেই ধার-দেনা করে নদীতে মাছ ধরতে গেলেও আশানুরূপ ইলিশ না পাওয়ায় ঋণ পরিশোধ নিয়েও তৈরি হয়েছে শঙ্কা।

প্রতিদিন ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নদীতে জাল ফেলছেন জেলেরা। কেউ ফিরছেন অল্প কিছু মাছ নিয়ে, আবার কেউ ফিরছেন প্রায় খালি হাতে। মাছ বিক্রির আয় দিয়ে অনেকেরই জ্বালানি তেল, বরফ ও শ্রমিকের খরচও উঠছে না। এতে দিন দিন বাড়ছে আর্থিক সংকট, পাশাপাশি এনজিও ঋণের চাপও বাড়ছে জেলে পরিবারগুলোর ওপর।

মাঝেরঘাট এলাকার স্থানীয় জেলে আব্দুল করিম বলেন,প্রতিদিন নদীতে যাই, কিন্তু মাছ খুব কম পাচ্ছি। আগে এক জালে যত ইলিশ উঠত, এখন কয়েকবার জাল ফেলেও তত মাছ পাওয়া যায় না। সংসার চালানো খুব কষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

এদিকে জনতা বাজার মৎস্য ঘাটের জেলে মো. সেলিম বলেন, তেল বরফ ও খাবারের খরচ অনেক বেড়েছে। নদীতে গিয়ে যদি মাছই না পাই, তাহলে পরিবার নিয়ে কীভাবে চলব? এখন আমরা খুবই দুশ্চিন্তায় আছি।

অন্যদিকে শুধু জেলেরাই নন, এর প্রভাব পড়েছে স্থানীয় মাছঘাট ও আড়তগুলোতেও। ইলিশের সরবরাহ কম থাকায় আগের মতো কর্মচাঞ্চল্য নেই। ব্যবসায়ীরাও পড়েছেন লোকসানের মুখে।

রামনেওয়াজ ঘাটের মৎস্য ব্যবসায়ী মমিন তালুকদার বলেন,ভরা মৌসুমে সাধারণত ঘাটে ইলিশে ভরে যায়। এবার সেই তুলনায় মাছ অনেক কম আসছে। ফলে আমাদের ব্যবসায়ও মন্দা চলছে এবং দিন দিন লোকসান গুনতে হচ্ছে।

তবে এ বিষয়ে মনপুরা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল বণিক বলেন,ইলিশের চলাচল অনেকটাই নদীর পরিবেশ, জোয়ার-ভাটা ও আবহাওয়ার ওপর নির্ভরশীল। মৌসুম এখনো শেষ হয়নি। আগামী দিনগুলোতে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হলে ইলিশের পরিমাণ বাড়তে পারে বলে আমরা আশাবাদী


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ

ক্যাটাগরি