রিপন শান সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার ভোলা প্রকাশঃ
কুরআনের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার নিয়ে তরজুমানুল কুরআন ইনস্টিটিউট পরিচালিত অপরিহার্য কোরআনী শিক্ষা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অর্থসহ ৫০০ কপি কুরআন বিতরণ করা হয় । এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাদরাসা দারুর রাশাদের মুহতামিম মাওলানা মুহাম্মাদদ সালমান। তরজুমানুল কুরআন ইনস্টিটিউট এর সভাপতি, মাওলানা আব্দুস সাত্তার হামিদী। জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার সম্পাদক ও বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি খান সেলিম রহমান , পয়ামে ইনসানিয়াত বাংলাদেশের আমীর ড.মাাওলানা শহীদুল ইসলাম ফারুকী, বাইতুস সালাম জামে মসজিদ কমপ্লেক্স এর পরিচালক মুফতি সাইফুজ্জামান, দারুল উলুম ইব্রাহিমিয়া মাদ্রাসার পরিচালক মুফতি ইমরান বিন ইলিয়াস,কালশী জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা আব্দুর রশিদ নোমানী, বাইতুন নূর জামে মসজিদের খতিব মুফতি আবু সালেহ মোহাম্মদউল্লাহ ,বাইতুন নূর জামে মসজিদের ইমাম মুফতি ওজায়ের, মাওলানা এ জে এম মহিউদ্দিন , মাওলানা ফয়সাল আহমেদ জাকারিয়া। সহযোগী আয়োজক রহমত ই খোদা, এডভোকেট হাবিবুর রহমান, আলাউদ্দিন, মাসুদুল ইসলাম, এবং রায়হান ফাউন্ডেশন এর পরিচালক এ. এম. এম. নওশাদ এহসান।
মুফতি ফজলুল করিম ও মিযানুর রহমান জামীলের সঞ্চালনায় রাজধানীর মিরপুর ১২ নাম্বার , ২নং ওয়ার্ড কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয় অর্থসহ ৫০০ কপি কুরআন বিতরণ অনুষ্ঠান । ইনস্টিটিউটটি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে কোরআনের সহজ, হৃদয়গ্রাহী ও সৃজনশীল শিক্ষার মাধ্যমে সমাজে আলোকিত প্রজন্ম গঠনে কাজ করে যাচ্ছে। অল্প সময়ে সারা দেশে এর কার্যক্রম ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বিনামূল্যে (ফ্রি) কুরআন ও নামায শিক্ষা বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়ে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও মসজিদভিত্তিক কোরআন শিক্ষা কোর্স চালু করেছে। এর মাধ্যমে ইতোমধ্যে হাজার হাজার শিক্ষার্থী অর্থসহ কুরআন শিক্ষা ও বিশুদ্ধ কুরআন তেলাওয়াতের শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে। দেশব্যাপী সার্বজনীন মুসলমানের মাঝে তাদের এ আহ্বান ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয়ে কাজ করে যাচ্ছে। অতিথিবৃন্দ তাঁদের বক্তব্যে বলেন, “কুরআনের শিক্ষা ও এর অর্থ বোঝা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য অপরিহার্য। সমাজে নৈতিকতা, ন্যায়বিচার, মানবিকতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠার একমাত্র পথ কুরআনের দিকনির্দেশনা অনুসরণ করা।” তাঁরা তরজুমানুল কুরআন ইনস্টিটিউটের এ মহৎ উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, “এ ধরনের কার্যক্রম দেশব্যাপী কুরআন শেখার নবজাগরণ সৃষ্টি করবে, তরুণ প্রজন্ম কুরআনের আলোয় আলোকিত হবে। অবক্ষয় সমাজকে ইনসাফভিত্তিক সমাজে পরিণত করতে এ ধরণের কার্যক্রম অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ।” অনুষ্ঠানে সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন—
তরজুমানুল কুরআন ইনস্টিটিউটের পরিচালক মুফতী আব্দুল্লাহ শিবলী।