• রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বাংলাবাজার ফাতেমা খানম কলেজে ডিগ্রি (পাস) ১ম বর্ষে ভর্তি চলছে বেগম খালেদা জিয়া: গৃহবধূ থেকে ‘আপসহীন নেত্রী’—এক দীর্ঘ রাজনৈতিক অধ্যায় টেকসই বেড়িবাঁধের অভাবে ভোলায় প্রতিবছর গৃহহারা হাজারো মানুষ ১৫ আগস্ট: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ ভোলা–ঢাকা এমভি দোয়েল পাখি-৮ লঞ্চে যাত্রীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ ভোলায় জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির নতুন কমিটি গঠন সভাপতি আমিন খান,সাধারণ সম্পাদক বাচ্চু মোল্লা মনপুরায় রাতভর কোস্ট গার্ডের অভিযান, ‘স্বপন বাহিনী’র দুই সহযোগী আটক বৈরি আবহাওয়ায় তুলাতলী মেঘনা পাড়ে শিক্ষার্থীদের আড্ডা নদীর পাড়ে ঘোরাঘুরি—নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন! মিয়ানমারে পাচারের আগেই ২৯৩ বস্তা সার জব্দ,আটক ৪ / চরফ্যাশনে ভোররাতের অভিযানে ট্রাক ও ফিশিং বোট জব্দ;নৌপথে পণ্য পাচার নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন! ভোলায় ৮০০ গ্রাম ওজনের নবজাতক,নিবিড় পরিচর্যায় চিকিৎসকদের তৎপরতা!

ভোলার আলীনগরের রুহিতা গ্রামে এখনো প্রায় ৪ কিঃ মিঃ মাটির রাস্তা!!

NEWS ROOM / ১৬৮ বার ভিউ
আপডেট : রবিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৩

ভোলার আলীনগরের রুহিতা গ্রামে এখনো প্রায় ৪ কিঃ মিঃ মাটির রাস্তা!!

(বর্ষায় হাঁটু কাঁদা!! দুর্ভোগের যেন শেষ নেই!)

আলী হোসেন রুবেল ভোলা।।

ভোলা সদর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত আলীনগর ইউনিয়ন। এটি শহরের একেবারেই প্রাণকেন্দ্রে হওয়ায় ভোলার মানুষের কাছে এ ইউনিয়নটির বেশ নাম ডাক পরিচিতি রয়েছে। এই ইউনিয়নটির একটি অন্যতম গ্রামের নাম রুহিতা। যে গ্রামে প্রায় দুই থেকে তিন হাজার লোকের বসবাস। সরকারের ধারাবাহিকতায় এ ইউনিয়নে বিভিন্ন বিভাগে উন্নয়নের ছোঁয়া কিছুটা লাগলেও রাস্তাঘাটের উন্নয়ন তেমন একটা চোখে পড়ার মতো নয়। সরকারের এমন সুসময়েও মেরামতের অভাবে এখনো আলীনগরের অধিকাংশ রাস্তাগুলো চলাচলের অনুপযোগী বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়।

তবে দুর্ভাগ্যবশত হলেও সত্য, যেখানে কিনা ভোলা সদর উপজেলার ১৩ টি ইউনিয়নে খুঁজে কোথাও কোনো কাঁচা রাস্তার দেখা পাওয়া না গেলেও আলীনগরের রুহিতা গ্রামে প্রায় তিন থেকে চার কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা রয়েছে। স্থানীয়রা জানায়, প্রতি বছর বর্ষার মৌসুমে এই রাস্তাগুলো প্রায় পানিতে তলিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি কোথাও আবার হাঁটু পরিমাণ কাঁদা হয়ে যায়। এ সময় রাস্তাগুলো দিয়ে চলাচল করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং রিস্কি হয়ে যায়। তারপরও অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে বর্ষার মৌসুমে প্রতিদিন এ-সব রাস্তা দিয়ে হোন্ডা এবং বাইসাইকেল ও রিক্সা নিয়ে চলতে হচ্ছে রুহিতা গ্রামের প্রায় দুই থেকে তিন হাজার লোকের এমনটি আমাদের জানিয়েছেন স্থানীয় ভুক্তভোগী বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল কলেজের একজন প্রভাষক,সহ দক্ষিণ রুহিতা এরহমানিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারি শিক্ষক জুলফিকুর রহমান, আল-আমিন রারী লিটন রারী,সাইফুল,রাকিব বকশি, নাজিমউদ্দীন বকশি,মাওলানা বায়েজিদ, ও ফখরুল বকশি।

সবচেয়ে বড়ো দুঃখের বিষয় হলো আলীনগর রুহিতা গ্রামের বকশি বাড়িতে ৭০ দশকের অন্যতম খ্যাতনামা কবি, বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রাপ্ত সাহিত্যিক সাংবাদিক,কলামিস্ট,গীতিকার,সুরকার ও সাবেক বাংলাদেশ টেলিভিশনের পরিচালক (বার্তা) নাসির আহমেদ এর বাড়ির হওয়া সত্ত্বেও তার বাড়ির সামনের রাস্তাটিও দীর্ঘ প্রায় পঞ্চাশ বছর ধরে একে-ত কাঁচা তারউপর আবার অবহেলিত। যা কিনা বর্ষার মৌসুমে চলাচলের একেবারেই অনুপযোগী। নাসিম আহমেদের ছোট ভাই ভোলা বিএডিসির একজন কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন,নাসির ভাই প্রায় সময় সরকারি গাড়ি নিয়ে বাড়ি আসে। এতে করে বর্ষার মৌসুমে যখনই তিনি গাড়ি বাড়ি এসেছেন তখনই তিনি মহা বিপদে পড়েছেন। এমনকি গাড়ি মেইন রাস্তায় রেখে জুতা হাতে নিয়ে পায়ে হেঁটে বাড়ি যেতে হয়েছে।

এব্যাপারে নাসির আহমেদের কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতা প্রকাশ করে এবং খুব ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, রাস্তাটি এলজিডির আওতায় হলে আমি এলজিআরডি মন্ত্রীকে দিয়ে টেন্ডার করে দ্রুত পিজ করার ব্যবস্থা করতাম। রাস্তাটি ইউনিয়নের আওতায় হওয়ায় আমি কয়েকবার স্থানীয় চেয়ারম্যান বশির আহাম্মদকে বলছি,তোফায়েল ভাইয়ের সাথে কথা বলে রাস্তাটিকে উপজেলা তার প্রজেক্টের ভিতরে দিয়ে যে করে হোক পিচের রাস্তা করে দেয়ার ব্যবস্থা করার জন্য। পড়ে আবার আমি বশিরের কাছে রাস্তার বিষয় খোঁজ নিলে সে আমাকে জানায়, রাস্তাটি একাধিক বার নেতার প্রজেক্টে দিয়েছি। হওয়ার কথা শুনেছি কিন্তু আদৌ হবে কি-না,হলেও কবে নাগাদ টেন্ডার হবে তা জানিনা।

জানা যায়,সরকারের ধারাবাহিকতার পাশাপাশি চেয়ারম্যানের ধারাবাহিকতায় তিনবারের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান বশির আহাম্মদ একাধিক বার এ রাস্তাগুলো উপজেলায় নেতার প্রজেক্টে দিয়েও টেন্ডার করে আনতে পারেনি। এই বিষয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান বশির আহাম্মদ বলেন,আমি তৃতীয় বারের মতো চেয়ারম্যান হয়ে এলাকায় মোটামুটি অনেক কাজ করলেও রুহিতা গ্রামের সাংবাদিক নাসির ভাইর বাড়ি অর্থাৎ বকশি বাড়ির দরজা সহ প্রায় তিন থেকে চার কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা রয়েছে যা, বর্ষার মৌসুমে খুবই নাজেহাল অবস্থা। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো আমি একাধিক বার রাস্তাগুলোকে উপজেলায় নেতার প্রজেক্টে দিলেও এখনো টেন্ডার হয়নি।আদৌ হবে কিনা জানি না। আমি উপজেলায় খোঁজ নিলে তারা হবে বলে আশ্বাস দেয়। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করে যাচ্ছি তবে হাল ছাড়িনি। আপনাদের এ প্রতিবেদনটির মাধ্যমে প্রিয় নেতার কাছে জোর দাবি অন্তত ভোলার খ্যাতনামা কবি সাংবাদিক নাসির ভাইর বাড়ির কথা বিবেচনা করে যে করেই হোক রাস্তাগুলোকে অতি দ্রুত টেন্ডারের ব্যবস্থা করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ

ক্যাটাগরি