• মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০১:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
চোরাই মালসহ সুমন মাতুব্বর গ্রেফতার বোরহানউদ্দিনে পুলিশের অভিযান ভোলায় জমির জন্য অন্যকে ফাঁ/সাতে গিয়ে গৃহবধূকে হ/ত্যা, ৩ জনের মৃ/ত্যুদণ্ড! লঞ্চে অতিরিক্ত ভাড়ার প্রতিবাদে মারধরের অভিযোগ, ভোলায় প্ল্যাকার্ড হাতে দুই যুবকের অবস্থান বোরহানউদ্দিনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৭ দোকান পুড়ে ছাই ভোলার তজুমদ্দিনে বিরল প্রজাতির গুইসাপ উদ্ধার মেহেন্দিগঞ্জে ৮ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক বন্ধুর মৃত্যুতে এমপি হাফিজ ইব্রাহিমের শোক প্রকাশ ভোলায় সাড়ে ৩ ঘন্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধের নোটিশ বোরহানউদ্দিনে ইয়াবা সেবনের দায়ে যুবককে ৩ মাসের কারাদণ্ড ভোলার জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল “মাল্টিমিডিয়া ভোলা প্রকাশ”-এর স্বত্বাধিকারী ও সম্পাদক শ্রী বিজয় বাইন-কে জানাই ভোলা প্রকাশ করিবারের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

ভোলার লালমোহনে গাছিরা ব্যাস্ত সময় পার করছেন খেজুর গাছ পরিচর্যায়।

NEWS ROOM / ১৫৮ বার ভিউ
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২২

ছাইফুল ইসলাম-(জিহাদ), নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

ভোলার লালমোহন উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রাম গুলোতে গাছিরা ব্যস্ত সময় পার করছেন খেজুর গাছ পরিচর্যায়। প্রতিবছরের শীত মৌসুম আসলেই গ্রামগুলোর সবুজ মাঠে মাঠে সারিসারি খেজুর গাছ গুলো যেন এক নতুন সাজে। বছরের বেশির ভাগ সময়ে এলোমেলো থাকা খেজুর গাছ গুলোকে শীতের শুরুতে কেটে ছেটে (রস ) বের করার উদ্দেশ্য যারা পরিচর্যা করে থাকেন, তাদেরকে গ্রাম্য ভাষায় বলা হয় গাছি।

একটি সুস্থ্য সবল খেজুর গাছ থেকে নিয়মিত (রস) পেতে হলে তার আগে নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম গাছিদের পালন করতে হয়। তার মধ্যে প্রথমত গাছ গুলোর একপাশের ডগা সুন্দর ভাবে ছেটে ফেলা, যাকে বলা হয় গাছ তোলা।

তার একসপ্তাহ পরে ওই অংশটি আবার নতুন করে রস আসার স্থানকে ছাটাই করা, যাকে বলা হয় গাছ চাছ দেওয়া। এরপর আবার ৬/৭ দিন, চাছ দেওয়া ওই অংশটি কে ভালো করে শুকিয়ে নিতে হয়। তার পরে গাছিরা বাঁশের কঞ্চি বানিয়ে চাছ দেওয়া স্থানের উপর থেকে ছয় ইঞ্চি নিচু করে কঞ্চি টিকে ওই স্থানে লাগিয়ে দেওয়া হয়। এরপর থেকে শুরু হয় রসের জন্য গাছ কাটার পালা। গাছ থেকে রস সংগ্রহের জন্য মাটির হাঁড়ি প্রসিদ্ধ এবং সব শ্রেণির গাছিদের কাছে মাটির হাঁড়ি পছন্দ। সাধারনত একটি গাছ একবার কাটলে ৪ থেকে ৫ দিন পরে আবার কাটা যায়। এভাবে চলতে থাকে শীত মৌসুম শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত। খেজুরের রস টিনের তাওয়া বা তাফালে করে আগুনে জালিয়ে যে গুড় তৈরি করা হয় তা খেজুরের গুড় নামে পরিচিত।

বাংলাদেশের মানুষদের কাছে খেজুর গুড়ের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। প্রতি বছরের ন্যায় এবছর ও লালমোহন উপজেলার বিভিন্ন গ্রামগুলোতে গাছিরা মেতেছে খেজুর গাছ পরিচর্যায়। ইতিমধ্যে বেশ কিছু এলাকায় শুরু হয়েছে রস সংগ্রহের কাজ। এরমধ্যে উল্লেখ যোগ্য উপজেলার কালমা ইউনিয়নের কয়েকটি ওয়ার্ডে একসময় খেজুর গাছ সহ খেজুরের রস ও গুড় সংগ্রহের জন্য বিখ্যাত ছিল। কিন্তু বর্তমানে অন্যান্যে গাছের আবাদ হওয়ায় বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে সকলের প্রিয় সেই খেজুর গাছের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ

ক্যাটাগরি