• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বোরহানউদ্দিনে দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে এমপি হাফিজ ইব্রাহিমের শাড়ি বিতরণ ভোলায় দুর্গোৎসবের নিরাপত্তায় মাঠে ডিসি-এসপি, পরিদর্শন বিভিন্ন পূজামণ্ডপ সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্‌যাপনে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে সম্প্রীতি, দেশটা সবার: প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান মেহেন্দিগঞ্জে মন্দিরে মন্দিরে বস্ত্র বিতরণ,সহাবস্থানের বার্তা ১৭ বছরের প্রবাসজীবনের উপার্জনে গড়া বাড়িতেই ঠাঁই নেই মোসারেফের! সম্পদের হিসাব ও বিয়েকে কেন্দ্র করে পারিবারিক বিরোধ, ১৬ লাখ টাকার মামলায় দুই দিন হাজতবাসের দাবি প্রবাসফেরত ব্যক্তির ভোলায় দুর্গোৎসবে ২৯ মন্দিরে ২৯ লাখ টাকা বরাদ্দ দিলেন মন্ত্রী পার্থ ভোলা সরকারি কলেজ : ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের ওপর কোনো হস্তক্ষেপ করা হয়নি: জেলা ছাত্রদল চরফ্যাশনের নজরুল নগর ইউপি নির্বাচনে আলোচনায় মোল্লা আসাদুর রহমান রুবেল শাসক নয়, জনসেবক হতে চান তিনি ১১ বছরের সংসার, ৬ মাসের প্রেম! বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে দুই সন্তানের জননী,পরিবারসহ লাপাত্তা ফাহাদ বোরহানউদ্দিনে যানজটে আটকে ফায়ার সার্ভিস, জরুরি সেবা নিয়ে শঙ্কা—প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন দৌলতখানে ডোপ টেস্টে গাঁজা শনাক্ত,আটক যুবক মোটরসাইকেল, স্মার্টফোন ও ৩৪ হাজার ১৫০ টাকা জব্দ। 

ভোলার লালমোহনে গাছিরা ব্যাস্ত সময় পার করছেন খেজুর গাছ পরিচর্যায়।

NEWS ROOM / ১৯৫ বার ভিউ
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২২




ছাইফুল ইসলাম-(জিহাদ), নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

ভোলার লালমোহন উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রাম গুলোতে গাছিরা ব্যস্ত সময় পার করছেন খেজুর গাছ পরিচর্যায়। প্রতিবছরের শীত মৌসুম আসলেই গ্রামগুলোর সবুজ মাঠে মাঠে সারিসারি খেজুর গাছ গুলো যেন এক নতুন সাজে। বছরের বেশির ভাগ সময়ে এলোমেলো থাকা খেজুর গাছ গুলোকে শীতের শুরুতে কেটে ছেটে (রস ) বের করার উদ্দেশ্য যারা পরিচর্যা করে থাকেন, তাদেরকে গ্রাম্য ভাষায় বলা হয় গাছি।

একটি সুস্থ্য সবল খেজুর গাছ থেকে নিয়মিত (রস) পেতে হলে তার আগে নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম গাছিদের পালন করতে হয়। তার মধ্যে প্রথমত গাছ গুলোর একপাশের ডগা সুন্দর ভাবে ছেটে ফেলা, যাকে বলা হয় গাছ তোলা।

তার একসপ্তাহ পরে ওই অংশটি আবার নতুন করে রস আসার স্থানকে ছাটাই করা, যাকে বলা হয় গাছ চাছ দেওয়া। এরপর আবার ৬/৭ দিন, চাছ দেওয়া ওই অংশটি কে ভালো করে শুকিয়ে নিতে হয়। তার পরে গাছিরা বাঁশের কঞ্চি বানিয়ে চাছ দেওয়া স্থানের উপর থেকে ছয় ইঞ্চি নিচু করে কঞ্চি টিকে ওই স্থানে লাগিয়ে দেওয়া হয়। এরপর থেকে শুরু হয় রসের জন্য গাছ কাটার পালা। গাছ থেকে রস সংগ্রহের জন্য মাটির হাঁড়ি প্রসিদ্ধ এবং সব শ্রেণির গাছিদের কাছে মাটির হাঁড়ি পছন্দ। সাধারনত একটি গাছ একবার কাটলে ৪ থেকে ৫ দিন পরে আবার কাটা যায়। এভাবে চলতে থাকে শীত মৌসুম শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত। খেজুরের রস টিনের তাওয়া বা তাফালে করে আগুনে জালিয়ে যে গুড় তৈরি করা হয় তা খেজুরের গুড় নামে পরিচিত।

বাংলাদেশের মানুষদের কাছে খেজুর গুড়ের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। প্রতি বছরের ন্যায় এবছর ও লালমোহন উপজেলার বিভিন্ন গ্রামগুলোতে গাছিরা মেতেছে খেজুর গাছ পরিচর্যায়। ইতিমধ্যে বেশ কিছু এলাকায় শুরু হয়েছে রস সংগ্রহের কাজ। এরমধ্যে উল্লেখ যোগ্য উপজেলার কালমা ইউনিয়নের কয়েকটি ওয়ার্ডে একসময় খেজুর গাছ সহ খেজুরের রস ও গুড় সংগ্রহের জন্য বিখ্যাত ছিল। কিন্তু বর্তমানে অন্যান্যে গাছের আবাদ হওয়ায় বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে সকলের প্রিয় সেই খেজুর গাছের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ

সর্বশেষ খবর

ক্যাটাগরি