ইউসুফ হোসেন অনিক, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট:
শহীদ রাষ্ট্রপতি ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রতিষ্ঠাতা মরহুম প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ভোলার বোরহানউদ্দিনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৩০ মে) আছর নামাজের পর উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বোরহানউদ্দিন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার আলম খাঁন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব হাফিজ ইব্রাহিম। এছাড়া উপজেলা বিএনপি, ইউনিয়ন বিএনপি এবং বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কর্মময় রাজনৈতিক জীবন, স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশ পুনর্গঠনে তাঁর ভূমিকা এবং দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী রাজনীতির বিকাশ, বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে জিয়াউর রহমানের অবদান ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলহাজ্ব হাফিজ ইব্রাহিম বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদী রাজনীতির এক অবিস্মরণীয় নাম। তাঁর আদর্শ, দেশপ্রেম ও নেতৃত্বগুণ নতুন প্রজন্মের জন্য অনুসরণীয়। দেশের উন্নয়ন, স্বনির্ভরতা ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় তাঁর অবদান জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।”
তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন ও রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি আজও দেশের মানুষের কাছে প্রাসঙ্গিক। তাঁর আদর্শ ধারণ করে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করার জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
আলোচনা সভা শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় দেশ ও জাতির কল্যাণ, গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়।
দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণকারী নেতাকর্মীরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তাঁর আদর্শ বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে। আয়োজকরা জানান, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও কর্মকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।