• বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ভোলায় দুর্গোৎসবের নিরাপত্তায় মাঠে পুলিশ সুপার,তিন থানার পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শান্তিপূর্ণ উদ্‌যাপন ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান,নিরাপত্তায় জেলা পুলিশের নিয়মিত তদারকি। লালমোহনে দুর্গাপূজার মণ্ডপে স্পিকার, পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসক, মদন মোহন জিউ মন্দির পরিদর্শন,সম্প্রীতি ও নিরাপদে উৎসব উদ্‌যাপনের আহ্বান।  আজ রাতে গানে গানে মাতবে ওয়েস্টার্নপাড়া শতদল বিকাশ ক্লাব মাঠে জমবে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। মহাঅষ্টমীতে চরফ্যাশন বাজারের সব স্বর্ণের দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত ঢাকের বাদ্য আর ভক্তির আবেশে মহাসপ্তমী,মণ্ডপে মণ্ডপে প্রার্থনা মেঘনায় মা ইলিশ নিধনের ভিডিও করতেই হামলা? অভিযুক্ত কামালসহ কয়েকজন বোরহানউদ্দিনে দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে এমপি হাফিজ ইব্রাহিমের শাড়ি বিতরণ ভোলায় দুর্গোৎসবের নিরাপত্তায় মাঠে ডিসি-এসপি, পরিদর্শন বিভিন্ন পূজামণ্ডপ সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্‌যাপনে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে সম্প্রীতি, দেশটা সবার: প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান মেহেন্দিগঞ্জে মন্দিরে মন্দিরে বস্ত্র বিতরণ,সহাবস্থানের বার্তা ১৭ বছরের প্রবাসজীবনের উপার্জনে গড়া বাড়িতেই ঠাঁই নেই মোসারেফের! সম্পদের হিসাব ও বিয়েকে কেন্দ্র করে পারিবারিক বিরোধ, ১৬ লাখ টাকার মামলায় দুই দিন হাজতবাসের দাবি প্রবাসফেরত ব্যক্তির

প্রায় ৪০০ কোটি টাকার সাবস্টেশন,তবুও বিদ্যুৎ সংকটে ভোলাবাসী উন্নয়নের সুফল মিলছে না জনগণের ভাগ্যে

NEWS ROOM / ১৪১ বার ভিউ
আপডেট : শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২৬



মীর মোশারফ অমি ভোলা প্রকাশঃ

ভোলার চরফ্যাশনে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিক বিদ্যুৎ সাবস্টেশন নির্মাণ করা হলেও কাঙ্ক্ষিত বিদ্যুৎ সুবিধা থেকে এখনও বঞ্চিত রয়েছেন জেলার সাধারণ মানুষ।পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ও ওজোপাডিকোর দুর্বলতা, সমন্বয়হীনতা এবং দায়িত্বে গাফিলতির কারণে এ বিশাল প্রকল্পের সুফল পৌঁছাচ্ছে না গ্রাহকদের ঘরে ঘরে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, উন্নয়নের নামে বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হলেও বাস্তবে বিদ্যুতের লোডশেডিং, ভোল্টেজ সমস্যা ও দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ বিভ্রাট এখনো নিত্যদিনের দুর্ভোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে গ্রামীণ অঞ্চলের মানুষ সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

সচেতন মহল বলছে, সরকারের বিপুল অর্থ ব্যয়ে নির্মিত সাবস্টেশনটি যদি জনগণের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে না পারে, তবে সেই উন্নয়ন প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে। প্রকল্প বাস্তবায়নের পরও যদি মানুষ অন্ধকারে থাকে, তাহলে দায় এড়ানোর সুযোগ নেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।

স্থানীয় ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও সাধারণ গ্রাহকদের অভিযোগ, সামান্য ঝড়-বৃষ্টি হলেই বিদ্যুৎ চলে যায় এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা তা ফিরে আসে না। এতে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় মারাত্মক প্রভাব পড়ছে।

এদিকে বিদ্যুৎ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিভিন্ন কারিগরি জটিলতা ও সমন্বয়ের সমস্যার কথা উল্লেখ করলেও দ্রুত কার্যকর সমাধান চেয়েছেন ভুক্তভোগীরা। তারা অবিলম্বে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ও ওজোপাডিকোর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি করে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, শুধু প্রকল্প উদ্বোধন বা অবকাঠামো নির্মাণই উন্নয়ন নয়; জনগণ যখন তার বাস্তব সুফল ভোগ করবে, তখনই প্রকৃত উন্নয়ন দৃশ্যমান হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ

ক্যাটাগরি