দাদা- দাদি
মোঃ মহিউদ্দিন

———————–
দাদা-দাদি বুড়ো-বুড়ি
বয়স প্রায় পাঁচ কুড়ি
মুখে নেই দাঁত,
চিবাতে তাদের খুব-ই কষ্ট
খেতে পারেন না ভাত।
বয়সের ভারে নুয়ে পড়েছে
করতে পারেন না কোন কাজ,
মেরুদণ্ড বাঁকা হয়ে
হয়ে পড়েছে ভাঁজ।
চোখে খুব-ই কম দেখেন
কানেও শোনেন কম,
মাঝে মাঝে হাঁপিয়ে উঠেন
কষ্টে ফেলেন দম।
হাঁটেন চলেন খুবই কষ্টে
লাঠিতে দিয়ে ভর,
প্রায় সময়-ই শুয়ে থাকেন
লেগে থাকে কাশি,জ্বর।
পায়ে ব্যথা,মাজায় ব্যথা
ব্যথা সকল অঙ্গে,
তারপরেও হেসে উঠেন
দাদি নানান ঢঙে।
গায়ের চামড়া ঢিলাঢালা,
হাত,পা কাঁপে সব সময়,
তবুও মুখে পানের খিলি
মাড়ি দিয়ে চিবিয়ে খায়।
পুরনো দিনের গল্প শোনায়
কিচ্ছা-কাহিনী যত,
রাজার-প্রজার গল্প শোনায়
কত যে শত শত।
তবুও তাদের অনেক সময়
করেন অবহেলা,
বৃদ্ধাশ্রমে একা-একা কেঁদে-কেঁদে
যায় যে তাদের বেলা।
একদিন তোমরাও বুড়ো হবে
ঘুরবে পথে পথে,
হয়তো সেই বৃদ্ধাশ্রমে-ই
তোমার স্থান হবে ভবিষ্যতে।