• শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
“ভক্তহৃদয়ে আজ একটিই আকুতি—শ্রীশ্রী রাধারাসবিহারীর কৃপায় সুস্থ হয়ে ফিরুন প্রিয় সুরপতি গৌরাঙ্গ দাস প্রভু”দ শুভ জন্মাষ্টমী “দুষ্টের দমন, সৃষ্টির পালন”—শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব তিথিতে ভক্তিতে মুখর সনাতন সমাজ স্মৃতির পাতায়  জাহাঙ্গীর আলম মিয়া: মানুষের কল্যাণে নিবেদিত এক আলোকিত জীবন গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিএনপির সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে: হাফিজ ইব্রাহিম চরফ্যাশনে পুলিশের অভিযানে ৩৩ পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক শিশুকে বাঁচাতে গিয়ে সড়কে উল্টে পড়লেন সাংবাদিক ছোটন সাহা ঢেউয়ের তোড়ে মেঘনায় মাছ ধরার নৌকা ডুবি,বাবা-ছেলেকে জীবিত উদ্ধার পূজার ঢাক বাজতে আর দেরি নেই, বেহাল রাস্তায় দুশ্চিন্তায় ভোলার ওয়েস্টার্ন পাড়াবাসী ‘উৎসবের আগেই রাস্তা চাই’—সংস্কারের দাবিতে শত শত মানুষের মানববন্ধন ‎যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে নির্যাতনের অভিযোগ, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ সেতুর স্বপ্ন থেকে নতুন মহাসড়ক—শ্রীপুরবাসীর চাওয়া শুধু একটি সংযোগ

NEWS ROOM / ১৩৬ বার ভিউ
আপডেট : সোমবার, ৭ আগস্ট, ২০২৩

ছোট বেলার খেলার সাথী
মোঃ মহিউদ্দিন

—-

খেলার সাথীরা আসতো মাঠে
এ গাঁও ও গাও থেকে,
কি যে আনন্দ কি যে উল্লাস করতাম
খেলার সাথীদের দেখে।

কত যে মধুময় স্মৃতি কথা
আজও চোখে ভাসে,
খেলার সাথীদের স্মৃতি
মাঝেমধ্যে স্বপ্ন হয়ে ভাসে।

সারাদিন খেলাধুলায়
কখন যেত যে বেলা,
সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি
চলত আমাদের খেলা।

এমন করিয়া সারা দিন কাটাতাম
খেলাধুলার ছলে,
সন্ধ্যা হলেই খোঁজাখুঁজি করত
বাড়িতে আসি নাই বলে।

গ্রামটি আমার নাছিরমাঝি
আয়তনে অনেক বড়,
বিকেল বেলা গুলি স্কুলের মাঠে
হইতাম সবাই জড়ো।

বন্ধুদের একত্র করে দুভাগ করে
দল তৈরি করে খেলতাম,
দল থেকে বাদ পড়ে গেলে
চোখের পানি ফেলতাম।

নাছির মাঝির মেঠোপথে
গাছের ছিল সারি,
দুপুর রোদে গাছের ছায়ায়
পথিক আসতো বাড়ি।

অনেক সময় ফুটবল ফুটো হতো
খেজুর কাঁটা বিঁধে,
আনন্দের মাঝে বাদ পড়তো
মাঝপথে খেলা বন্ধে।

এমন করিয়া বড় হলাম
হারিয়ে গেল দিনগুলি,
ছোটবেলার খেলার সাথীদের
কেমন করে ভুলি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ

ক্যাটাগরি