মোঃ মহিউদ্দিন সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার ভোলা প্রকাশঃ
ভোলা, ১৭ নভেম্বর ২০২৫:
আজ সকাল ১০টায় ভোলা জেলা প্রশাসকের সভা কক্ষে ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও) আয়োজিত লার্নিং শেয়ারিং মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (KOICA)-এর অর্থায়নে এবং ইউনিসেফের সহযোগিতায় পরিচালিত অল্টারনেটিভ লার্নিং প্রোগ্রাম (ALP) ভোলা জেলাসহ দেশের চারটি জেলায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। বাজারে প্রচলিত হস্তান্তরযোগ্য দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে সবচেয়ে সুবিধাবঞ্চিত কিশোর-কিশোরীদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে ২০২৩ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত পরিচালিত কার্যক্রমের অগ্রগতি ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করা হয় সভায়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ইএসডিওর সহকারী প্রোগ্রাম ম্যানেজার জিনাত আরা বিশ্বাস। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) মো. মিজানুর রহমান, যিনি অনুষ্ঠানটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন এবং দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি চাকুরিদাতা ও চাকুরিপ্রাপ্তদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে জীবন পরিবর্তনের গল্প নিয়ে আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন অ্যাসিসট্যান্ট মনিটরিং অ্যান্ড ডকুমেন্টেশন অফিসার মো. রনি হোসেন। অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন:
অনিন্দ্য মণ্ডল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি)
মো. আরিফুজ্জামান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, ভোলা সদর
মোহাম্মদ আজম, সহকারী কমিশনার (সাধারণ শাখা)
সাইয়েদ মাহমুদ বুলবুল, সহকারী কমিশনার (শিক্ষা শাখা)
মো. শাহ আবদুর রহিম নূরনবি, জেলা তথ্য কর্মকর্তা
আফনান হক, তথ্য আপা
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এএলপি সেন্ট্রাল মনিটরিং অ্যান্ড ডকুমেন্টেশন অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন এবং ইএসডিও এএলপি’র সকল উন্নয়ন কর্মী।
প্রকল্প ম্যানেজার ও হেড অব টিভেট মো. শাহরিয়ার মাহমুদের দিকনির্দেশনায় সহকারী প্রোগ্রাম ম্যানেজার জিনাত আরা বিশ্বাস বলেন,
“ইউনিসেফের অংশীদারিত্বে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা থেকে ঝরে পড়া ১৫–২৪ বছর বয়সী প্রান্তিক কিশোর-কিশোরীদের বাজারভিত্তিক দক্ষতায় প্রশিক্ষণ দিতে আমরা দেশের সাতটি জেলায় ALP বাস্তবায়ন করছি। কারিগরি প্রশিক্ষণের পাশাপাশি PSEA, Safeguarding, জীবন দক্ষতা এবং সরকারি হটলাইনের ব্যবহার বিষয়ে আমরা নিয়মিত সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছি।”
তিনি আরও জানান, ১৯৮৮ সাল থেকে ইএসডিও জীবিকা, দক্ষতা উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পানি ও স্যানিটেশন, পুষ্টি এবং মাতৃস্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন খাতে দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সংস্থাটি “সকল বৈষম্যমুক্ত ন্যায়ভিত্তিক সমাজ” গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে।