• শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৯:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ভরা মৌসুমেও মেঘনায় কাঙ্ক্ষিত ইলিশের দেখা নেই, দুশ্চিন্তায় মনপুরার জেলে পরিবার।মাছের সংকটে বাড়ছে ঋণের বোঝা, লোকসানে জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ী; অনুকূল পরিবেশে পরিস্থিতি উন্নতির আশা মৎস্য বিভাগের।। টাইটানিকের আদলে নির্মিত হচ্ছে দেশের প্রথম আইল্যান্ড ইকোপার্ক ভোলায় মাদকবিরোধী র‍্যালি, আলোচনাসভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত। ভোলায় ২ লাখ ৯৩ হাজার ১৩৬ শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল। ভোলার শিবপুরে নদীভাঙন রোধে ৭২০ কোটি টাকার প্রকল্প, ২৯ জুন একনেকে অনুমোদনের আশা। ভোলায় বিমানবন্দর নির্মাণের উদ্যোগ, প্রাথমিকভাবে এয়ার স্ট্রিপের পরিকল্পনা: এমপি পার্থ বোরহানউদ্দিনের তেতুলিয়া নদীতে কোস্ট গার্ডের অভিযান: অবৈধ ড্রেজার ও বাল্কহেডসহ ১৫ জন আটক। মনপুরার কোস্টগার্ড ও মৎস্য অফিসের যৌথ অভিযানে নিষিদ্ধ চায়না ও কারেন্ট জাল জব্দ।। মেহেন্দিগঞ্জে উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান ও জেলা পরিষদ প্রশাসক আকন কুদ্দুস ভোলা-২ আসনের উন্নয়ন ও জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় বিশেষ তহবিলের দাবি সংসদে বাজেট বক্তৃতায় এমপি হাফিজ ইব্রাহিম।

ভোলা টু আলীনগরের প্রধান সড়কের বেহাল দশা জনদুর্ভোগ চরমে!!

NEWS ROOM / ১৪৪ বার ভিউ
আপডেট : শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৩

আলী হোসেন রুবেল সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার ভোলাঃ

ভোলা সদর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত আলীনগর ইউনিয়ন। এটি শহরের একেবারেই প্রাণকেন্দ্রে হওয়ায় ভোলার মানুষের কাছে এ ইউনিয়নটির বেশ নাম ডাক পরিচিতি রয়েছে। এই ইউনিয়নে প্রায় ৪০ লক্ষ লোকের বসবাস। সরকারের ধারাবাহিকতায় উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে এই ইউনিয়নেও। তিনবারের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান বশির আহাম্মদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় যদিও এলাকায় এখন আর কাঁচা রাস্তার দেখা না পাওয়া গেলেও দীর্ঘ দিন ধরে রাস্তাগুলো মেরামতের অভাবে অধিকাংশ রাস্তাগুলো এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দূর্ভাগ্যবশত বসত হলেও সত্য আলীনগর থেকে ভোলা শহরে যাতায়াতের প্রধান সড়কটি আলীনগর দেওয়ান বাড়ি থেকে শুরু করে কাইমদ্দি বাড়ির পোল পর্যন্ত একেবারে নাজেহাল এবং চলাচলের অনুপযোগী অবস্থা। প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে শহরে যাতায়াত করতে হয় উত্তর দিঘলদী,গজারিয়াসহ আলীনগরের হাজার-হাজার মানুষ। যদিও এই রাস্তাটি কাইমদ্দির পোল থেকে বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল কলেজের সামনে দিয়ে উত্তর দিঘলদীর পোলঘাট পর্যন্ত ২০২২ সালের জুন মাসের দিকে উল্টিয়ে রিপেয়ারিং করার টেন্ডার হয়েছিল। যদিও তার ভেতর থেকে পোলঘাট থেকে শুরু করে দেওয়ান বাড়ি পর্যন্ত পিচ করা হলেও তারপর পর থেকে কাইমদ্দি বাড়ির পোল পর্যন্ত ইটের খোয়া অবস্থায় দীর্ঘ দিন ধরে পড়ে থাকায় একে তো চলাচলের অনুপযোগী তারউপর আবার রাস্তাটি দখল করে নিয়েছে ধুলায়। সড়কটি খুব ব্যস্ততম হওয়ায় প্রতিদিন এখান দিয়ে হাজার হাজার গাড়ি যাতায়াত করতে হয়। এতে করে একদিকে যেমন রাস্তা দেবে যাচ্ছে অপরদিকে ধুলায় কারণে দোকানপাট, বাড়িঘরে থাকা কষ্টকর হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে শ্বাসকষ্ট সহ মারাত্মক জটিল রোগের দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাস্তার আশেপাশে জীবন টিকিয়ে রাখাটাই এখন অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে এমনটি জানিয়েছেন স্থানীয় জসিম, হাসেম,দুলাল, মিজান, মনির,বিল্লাল প্রমূখ সহ একাধিক ভুক্তভোগীরা। আলীনগর ইউপি গ্রাম পুলিশ মোঃ গিয়াস উদ্দিন বলেন, রাস্তার ধুলার কারণে আমাদের এখানে দোকানপাট করা বাড়ি ঘরে থাকা, চলাচল করা,বেশ কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।আবার কোথাও কোথাও রাস্তার বেহাল দশার কারণে মানুষ প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনার শিকারও হচ্ছে। এতে করে কেউ কেউ আবার অকালে পঙ্গুত বরণ করে নিচ্ছে। দীর্ঘদিন এই অবস্থায় চলাচল করতে গিয়ে আমাদের অনেকের মধ্যে শ্বাসকষ্ট সহ নানা জটিল রোগের দেখা দিয়েছে। এমতাবস্থায় আমাদের এলাকার দাবি অতি দ্রুত রাস্তাটিকে পিজ দিয়ে মেরামত করা হোক।

এই বিষয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান বশির আহাম্মদ বলেন, আপনারা ইতোমধ্যে যা কিছু শুনেছেন এবং রাস্তার অবস্থা স্বচোখে দেখেছেন, এর পড়ে মনে হয় আমার আর বেশি কিছু বলা লাগে না। তবুও বলছি,শুনেছি রাস্তাটি গত ২০২২ সালের জুন মাসের টেন্ডার হওয়ার কথা শুনেছি। সেই থেকে অধ্যবদি রাস্তাটি এই অবস্থায় পড়ে থাকায় এলাকার মানুষ নানামুখী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। শুধু তাই নয়, মানুষের মধ্যে বাসা বেঁধেছে শ্বাসকষ্টের মতো কঠিন রোগ সহ নানাবিধ রোগ। অতি দ্রুত এমন মহামারী পরিস্থিতি থেকে এলাকাবাসী বাঁচানো আমার নৈতিক দায়িত্ব। ইতোমধ্যে এ রাস্তায় বড় মালবাহী ট্রাক চলাচল করে কোথাও কোথাও রাস্তাটি দেবে গেছে। তাই মালবাহী ট্রাকগুলো বন্ধ এবং কিছুটা দুলার থেকে বাঁচতে মানুষ কোথাও কোথাও রাস্তার মাঝখানে কিছু খুটি গেড়ে রেখেছে। তাই আমি চেয়ারম্যান হিসেবে ভোলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর(এল,জি,ই,ডি) নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে জোর দাবি যেকোন মূল্যে অতি তাড়াতাড়ি রাস্তাটিকে পিজের রাস্তায় রুপান্তরিত করা হোক। এ বিষয় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ইব্রাহীম খলীল বলেন, আমি জানি রাস্তাটির অবস্থা বেশি ভালো না। এ কাজটি যে ঠিকাদার পেয়েছে তার অন্য আরেক যায়গায় কাজ চলছিল বলে কাজটি করতে বিলম্ব হয়েছে। আগামী আট থেকে দশ দিনের ভেতর তার সেই কাজ শেষ হয়ে যাবে এবং তারপর পরই অর্থাৎ আশা করি আগামী দশ বারো দিনের মধ্যে সেই রাস্তার বাকী অসম্পূর্ণ কাজ শেষ করে ফেলবো ইনশাআল্লাহ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ

ক্যাটাগরি