• বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১২:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নেইমারের প্রত্যাবর্তনে উজ্জীবিত ব্রাজিল,স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে হারাল সেলেসাওরা। ভোলা শহরের প্রধান সড়কে অসংখ্য অটোরিকশার কারণে প্রতিদিনই সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট; দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ। ভোলার এক সময়ের কোলাহলময় খেয়াঘাট এখন সুনশান নীরব। লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকায় দিন দিন হারাচ্ছে তার ঐতিহ্য ও অস্তিত্ব। লালমোহনে খালখনন প্রকল্পের এলাকায় জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত সংস্কারের অভাবে জীর্ণ দশায় বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাস টার্মিনাল। নতুন করে নির্মাণের ঘোষণা থাকলেও বাস্তবায়নের দেখা নেই। ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইনে স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছে ওয়ালটন প্লাজা গ্রামীণ জনপদের একমাত্র ভরসা ভোলা সদরের ভেলুমিয়া ১০ শয্যার হাসপাতাল। লালমোহনে ব্রিজ ধসের ট্র্যাজেডি: ট্রাকচালক “নি”হ”ত, হেলপার আহত ভোলার বাজারে ক্রেতা কম সাগর-নদীতে ইলিশ সংকট, বাজারে চড়া দাম। অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর দক্ষতা উন্নয়নে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ

ভোলার তেঁতুলিয়া তীরে দর্শনীয় স্থান ‘বঙ্গবন্ধু পার্ক’

NEWS ROOM / ১৫২ বার ভিউ
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৬ আগস্ট, ২০২২

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

ভোলার তেঁতুলিয়া তীরে দর্শনীয় স্থান ‘বঙ্গবন্ধু পার্ক’ ‘বঙ্গবন্ধু পার্ক’।

ভোলা জেলার তেঁতুলিয়ার পাড় ঘেঁষে বাহারি রংয়ের সিসি ব্লক, ছোট-বড় বেঞ্চ ও ছাউনি। চারদিকে সবুজে ঘেরা বৃক্ষরাজি আর পাখিদের কলকাকলি।

নদীর ঢেউ, প্রকৃতির নির্মল বাতাস আর সূর্যাস্ত-এ নিয়ে গড়ে উঠেছে ‘বঙ্গবন্ধু পার্ক’।
ভোলা সদরের দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে তেঁতুলিয়া পাড়ে এ পার্কটি নির্মাণ করা হয়েছে।

ভোলার অন্যতম দর্শনীয় স্পট, জেলার পর্যটনের এক নতুন দিগন্ত সৃষ্টি করেছে পার্কটি।
চারদিকের মনোরম পরিবেশ মুগ্ধ করে দর্শনার্থীদের।

পার্কটিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে পর্যটক কেন্দ্র। সবুজ প্রকৃতি, নীল আকাশ প্রকৃতির নির্মল বাতাস আর তেঁতুলিয়া নদীর ঢেউ দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসছেন মানুষ।

ঘুরতে আসা লিপি খন্দকার জানান, ভোলায় তেমন বিনোদন কেন্দ্র নেই। তবে বঙ্গবন্ধু পার্কটি একটি দর্শনীয় স্পট। প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ এখানে ঘুরতে আসে।

এমনই একজন বিজয় বাইন। তিনি বলেন, আমি প্রথমবারের মত এখানে ঘুরতে এসে মুগ্ধ। পরিবার-পরিজন নিয়ে ভ্রমণের জন্য পার্কটি অন্যতম।
নিলয় জানান, আমরা এখানে মাঝে মধ্যেই ঘুরতে আসি। যতবার এসেছি ততবারই ভালো লেগেছে।

সরেজমিন দেখা যায়, পার্কের চারপাশে বাহারি রংয়ের সিসি ব্লক বিছানো হয়েছে। রয়েছে বসার বেঞ্চ, ছাউনিসহ নানা স্থাপনা। রয়েছে সবুজ প্রকৃতি ও তেঁতুলিয়া নদীর ঢেউ এবং সূর্যাস্তের মনোরম দৃশ্য। দিন দিন পর্যটকদের জনপ্রিয় হয়ে উঠছে পার্কটি। ছুটির দিনে এখানে প্রচুর মানুষের সমাগম হয়।

প্রায় ২ একর এলাকা জুড়ে মনোরম পরিবেশে আধুনিকরূপে পার্কটি নির্মাণ করা হয়েছে।

এখানে এলেই মন জুড়িয়ে যায় পর্যটকদের। নৌকায় ঘুরে বেড়ানো, ছবি তোলা আর বাহারি রংয়ের সিসি ব্লকে বসে অবসর কাটানোর একটি অন্যতম দর্শনীয় স্থান এটি। ভ্রমণপিপাসুদের কাছে এটি একটি প্রিয় স্থান হয়ে উঠেছে। পার্কের পাশেই শিশুদের জন্য বিনোদনের ব্যবস্থা রয়েছে।

ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের গ্রামের বাড়ির পেছনের অংশে পার্কটির অবস্থান।
তেঁতুলিয়া বাঁধকে নানারূপে সাজিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে দর্শনীয় স্থান হিসেবে। যা এখন মন কাড়ে পর্যটকদের। পার্কটি এখন সবার কাছে পরিচিত। এখানে বসেই পড়ন্ত বিকেলের নয়নাভিরাম দৃশ্য উপভোগ করেন দর্শনার্থীরা।

২০১৩-১৪ সালের দিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড তেঁতুলিয়ার ভাঙন রোধে এখানে সিসি ব্লক স্থাপন করে। পরবর্তীকালে দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইফতারুল হাসান স্বপন ব্যক্তিগত অর্থায়নে পার্কটি নির্মাণ করেন এবং তা ধীরে ধীরে আধুনিকরূপ নেয়। ভ্রমণপিপাসুদের প্রিয় স্থান হিসেবেই মন জয় করেছে পার্কটি।

ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান বলেন, ২০১৩-১৪ সালের দিকে ভাঙন রোধে তেঁতুলিয়া পাড়ের প্রায় ৯শ মিটার দৈর্ঘ্যে সিসি ব্লক স্থাপন করা হয়। এরপর থেকে এটি এখন পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পরিণত হয়েছে।

পার্কের উদ্যোক্তা ও দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান ইফতারুল হাসান স্বপ্ন বলেন, বঙ্গবন্ধু পার্কটি এখন ভোলার অন্যতম পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এতো সুন্দর মনোরম পরিবেশে, যে এখানে আসবে তারই ভালো লাগবে। দিনে এবং রাতে এখানে পর্যটকদের সমাগম থাকে। বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ এখানে ঘুরতে আসেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ

ক্যাটাগরি