শিরোনাম
বোরহানউদ্দিনে দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে এমপি হাফিজ ইব্রাহিমের শাড়ি বিতরণ ভোলায় দুর্গোৎসবের নিরাপত্তায় মাঠে ডিসি-এসপি, পরিদর্শন বিভিন্ন পূজামণ্ডপ সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্‌যাপনে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে সম্প্রীতি, দেশটা সবার: প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান মেহেন্দিগঞ্জে মন্দিরে মন্দিরে বস্ত্র বিতরণ,সহাবস্থানের বার্তা ১৭ বছরের প্রবাসজীবনের উপার্জনে গড়া বাড়িতেই ঠাঁই নেই মোসারেফের! সম্পদের হিসাব ও বিয়েকে কেন্দ্র করে পারিবারিক বিরোধ, ১৬ লাখ টাকার মামলায় দুই দিন হাজতবাসের দাবি প্রবাসফেরত ব্যক্তির ভোলায় দুর্গোৎসবে ২৯ মন্দিরে ২৯ লাখ টাকা বরাদ্দ দিলেন মন্ত্রী পার্থ ভোলা সরকারি কলেজ : ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের ওপর কোনো হস্তক্ষেপ করা হয়নি: জেলা ছাত্রদল চরফ্যাশনের নজরুল নগর ইউপি নির্বাচনে আলোচনায় মোল্লা আসাদুর রহমান রুবেল শাসক নয়, জনসেবক হতে চান তিনি ১১ বছরের সংসার, ৬ মাসের প্রেম! বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে দুই সন্তানের জননী,পরিবারসহ লাপাত্তা ফাহাদ বোরহানউদ্দিনে যানজটে আটকে ফায়ার সার্ভিস, জরুরি সেবা নিয়ে শঙ্কা—প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন দৌলতখানে ডোপ টেস্টে গাঁজা শনাক্ত,আটক যুবক মোটরসাইকেল, স্মার্টফোন ও ৩৪ হাজার ১৫০ টাকা জব্দ। 

ভেদুরিয়ার কালবাটে থেমে থাকা ২০ লক্ষ মানুষের স্বপ্ন—ভোলা–বরিশাল সেতুর দাবিতে আন্দোলনের নতুন অধ্যায়

NEWS ROOM / ২৫১ বার ভিউ
আপডেট : সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫




মোঃ মহিউদ্দিন সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার ভোলা প্রকাশঃ
ভোলা–বরিশাল সেতুর দাবি আজ আর শুধু একটি উন্নয়নস্বপ্ন নয়; এটি হয়ে উঠেছে বঞ্চনা, বিচ্ছিন্নতা ও অপূর্ণ প্রতিশ্রুতির বিরুদ্ধে ভোলাবাসীর সশব্দ প্রতিবাদ। একসময় নৈসর্গিক নদীঘেরা ভোলাকে “দুর্ভোগের দ্বীপ” বানিয়ে দিয়েছে অনির্ভরযোগ্য নৌপথ, ভাঙন, এবং মাঝেমধ্যে থেমে যাওয়া ভেদুরিয়া–চটকিমারা রুটের ক্ষুদ্র একটি কালবাট। বিস্ময়কর হলেও সত্য—এই ছোট্ট কালবাটই যেন আটকে রেখেছে প্রায় ২০ লক্ষ মানুষের চলাচল, নিরাপত্তা আর উন্নয়নের স্বপ্ন।
কিন্তু এবার ইতিহাস অন্য পথে মোড় নিয়েছে।
ঝুঁকিপূর্ণ আন্দোলনে নতুন প্রজন্মের বিস্ফোরণ—-
ভোলার সর্বস্তরের মানুষ—দিনমজুর, ব্যবসায়ী, কৃষক, ছাত্র, নারী—সবাই মিলে গড়ে তুলেছেন অভূতপূর্ব এক আন্দোলন। বিশেষ করে টগবগে একদল তরুণের নেতৃত্বে আন্দোলনটি এমন এক অবস্থায় পৌঁছেছে, যা ভোলার শতবর্ষীয় ইতিহাসেও বিরল।
রাতভর অবস্থান, নদীর পাড়ে মানববন্ধন, নৌপথে বিক্ষোভ, নীল আকাশে সেতুর নামে পোস্টার—এ যেন ভোলার মানুষের হৃদয়ের হাহাকার, দীর্ঘদিনের প্রত্যক্ষদর্শী বেদনাকে ছাপিয়ে ওঠা এক সততার শপথ।
সরকারের নীরবতা প্রশ্নের মুখে—
আন্দোলনকারীদের ক্ষোভ—সরকার যেন এই ‘১১ কিলোমিটার সেতু নির্মাণ’ পরিকল্পনাকে একেবারেই পাত্তা দিচ্ছে না। কেউ কেউ মনে করেন, এত বড় ‘মেগা প্রজেক্ট’ হাতে নিতে সরকার ভরসা পাচ্ছে না, কিংবা রাজনৈতিক গুরুত্বহীনতার ছাপটিও থাকতে পারে। অথচ ভোলা–বরিশালের সংযোগ শুধু একটি সেতুর নয়, বরং দক্ষিণাঞ্চলের সামগ্রিক অর্থনীতি, বাণিজ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে।
সরেজমিনে দেখা কাজ—যা আশা জাগায়
অবশ্যই আশার আলো আছে—
ভেদুরিয়া থেকে শ্রীপুর, এবং শ্রীপুর থেকে বরিশাল পর্যন্ত সড়কের উল্লেখযোগ্য অংশ ইতোমধ্যে নির্মিত হয়েছে।
কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজও তৈরি হয়েছে; স্থলপথে যোগাযোগের কাঠামোর প্রায় অর্ধেক কাজই শেষ।
অর্থাৎ, ভোলা–বরিশালের স্থলপথ বাস্তবায়ন কোনো অজেয় স্বপ্ন নয়, বরং একটি অর্ধসমাপ্ত অধ্যায়—শুধু বড় একটি সেতু বাকি।
বিকল্প প্রস্তাব: কম খরচে দ্রুত সম্ভব দুটি সেতু—
যদি সরকার সরাসরি ১১ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতু নির্মাণে ভয় বা দ্বিধায় থাকে—
তাহলে ভোলাবাসীর পক্ষ থেকে একটি যৌক্তিক, বাস্তবভিত্তিক ও স্বল্প ব্যয়ের প্রস্তাব উঠে এসেছে—
১) ভোলা টু চর চটকিমারা ব্রিজ
এই ব্রিজ হলে ভোলা মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হবে, নৌপথের ওপর নির্ভরশীলতা কমবে, এবং চলাচল হবে দ্বিগুণ নিরাপদ।
২) শ্রীপুর টু বরিশাল (কাউয়ারচর) ব্রিজ
এই ব্রিজটি হলে বরিশাল শহরের সঙ্গে ভোলার দূরত্ব কমপক্ষে অর্ধেকে নেমে আসবে।
পণ্য পরিবহন, অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস, শিক্ষার্থীদের যাতায়াত—সবকিছুই হবে স্বস্তিদায়ক।
এই দুটি ব্রিজ নির্মাণে ব্যয় ও সময়—“বিশাল ১১ কিলোমিটারের মেগা সেতু”-র তুলনায় নিতান্তই স্বল্প।
তাই উন্নয়নের এই বিকল্প রূপরেখা শুধু যৌক্তিক নয়; সময়োপযোগীও বটে।
দীর্ঘদিনের প্রত্যক্ষদর্শীর অভিপ্রায়—
প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ভেদুরিয়ার কালবাটের ভোগান্তি দেখে আসা মানুষ হিসেবে দাবি স্পষ্ট—
ভোলাবাসী উন্নয়ন চায়, বিচ্ছিন্নতা নয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ

সর্বশেষ খবর

ক্যাটাগরি