• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
‘জ্বিন হাজিরে স্বর্ণ দ্বিগুণ’— প্রতারণার ফাঁদে ১৭ নারী,দুলারহাটে চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার। ৩০ জুলাই একযোগে এসএসসির ফল প্রকাশ। বোরহানউদ্দিনে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘবদ্ধ হামলার অভিযোগ,নারীসহ আ’হত ৫ ভোলার পথে ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ ভোলার দৌলতখানে সাপের দংশনে জেলের মৃত্যু! ভোলার লালমোহনে বাসচাপায় প্রা’ণ গেল ৬ বছরের শিশু মাইশার। বোরহানউদ্দিনে বাড়িতে গাঁজার গাছ রোপণের অভিযোগে যুবক আটক। ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। বোরহানউদ্দিনে চর থেকে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রির অভিযোগ,ক্ষতির মুখে কৃষিজমি। আগামীকাল ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না ভোলার বিস্তীর্ণ এলাকায়,আগাম প্রস্তুতির আহ্বান।

দশমিনায় আশ্রয়ন প্রকল্পের তিনটি ঘর বিক্রি

NEWS ROOM / ১৪৬ বার ভিউ
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৩ জুন, ২০২৩

আরিফুর রহমান ঝন্টু, দশমিনা প্রতিনিধিঃ

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়নে আশ্রয়ন প্রকল্পের তিনটি ঘর বিক্রি করে দিয়েছেন বরাদ্ধ পাওয়া সুবিধাভুগীরা। যানাযায়, প্রায় একযুগ আগে উপজেলার বুড়াগৌরাঙ্গ -তেতুলিয়া নদী বেষ্টিত চরবোরহান ইউনিয়নের দক্ষিন চরবোরহান গ্রামে ভুমিহীন ও ঠিকানাহীন দুস্ত পরিবারের মধ্যে বরাদ্ধ দেওয়ার জন্য আশ্রায়ন প্রকল্পের আওতায় ৭০টি ঘর নির্মান করে ছিন্নমুল পরিবারের মধ্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়। ওই প্রকল্পের আওতায় মনির চৌকিদার,(৪০) নুরু রাড়ী (৫০) অহিদুল আকন (৪২) তিনটি ঘর বরাদ্ধ পান। অভিযোগ রয়েছে তাদের নিজেস্ব বাড়ী ও জমি থাকা সত্বেও প্রতারণা করে নিজেদের নামে ঘরগুলো বরাদ্দ নেন। এলাকার একাধীক ব্যাক্তি যানান, বরাদ্দ পাওয়ার পরে একদিনের জন্যও তারা ওই ঘরে বসবাস করেননি। সম্প্রতি তারা তাদের বরাদ্দ পাওয়া ঘরগুলো বিক্রি করে দিয়েছে। সরজমিনে গিয়ে দেখাযায়, তিনটি ঘরের ভিটা পড়ে থাকলেও টিন, কাঠ, লোহার এ্যাঙ্গেলসহ সব মালামাল উধাও হয়ে গেছে।এ ব্যাপরে মনির চৌকিদার বলেন, নতুন করে ঘর নির্মান করার জন্য পুরান মালামাল ২১ হাজার টাকা বিক্রি করেছি। নুরু রাড়ী বলেন, আমার ঘরের মালামালও একই টাকায় বিক্রি করে নতুন ঘর তুলেছি। অহিদুল আকনকে তার মোবাইল ফোনে কল দিলেও সে সাংবাদিকদের সামনে আসেনি। স্থানীয় ভাঙ্গাড়ী ব্যাবসায়ী মকবুল হোসেন ঘরের মালামাল কেনার কথা শিকার করে বলেন, তারা মালামাল বিক্রির জন্য উলানিয়া নিয়ে যাচ্ছিল, আমি তাদের অনুরোধ করে কিনে রেখেছি। চরবোরহান ইউনিয়নের চেয়ারম্যার নজির আহম্মেদ সরদার বলেন, ঘরের মালামাল বিক্রি হয়েছে কিনা জানিনা, তবে শুনেছি বসবাসের অনুপোযোগী হয়ে পরায় ওরা তিনটি ঘর ভেংয়েছে এবং এ ব্যাপারে ইউএনও স্যারের কাছে ওরা গিয়েছিল। তিনি আরো বলেন, ভাংয়াচুরা এ্যাঙ্গেল-ট্যাগেল বিক্রি করলেও করতে পারে। এ ব্যাপারে দশমিনা উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা নাফিজা নাজ নীরা সময়ের আলোকে বলেন, এ বিষয় নিয়ে আমার কাছে কেউ কখোনও আসেনি। তাছাড়া সরকারী ঘর বিক্রি করার কোন সুযোগ নেই, বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ভাবে ব্যাবস্থা নেয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ

ক্যাটাগরি