• মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বিশ্ব শিক্ষক দিবস:মনপুরার বসির আহাম্মেদ যেভাবে হলেন পুরো উপজেলার ‘বসির মাস্টার’ ছয় বছর আত্মগোপনে থেকেও শেষ রক্ষা হলো না,ভোলায় যাবজ্জীবন সাজা/প্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার। ভোলায় ৪০ পিস ইয়াবাসহ দুইজন আটক,পৃথক দুটি মামলা শেষ রজনীতে মহামায়ার বিদায়ী বার্তা—‘আবার ফিরবো,সমাজের বিভাজনকে চ্যালেঞ্জ করবো’ ভেলুমিয়ার বাঁধের পাড়ে ভোলায় চালু হচ্ছে কায়াকিং পয়েন্ট ভোলায় অনলাইন জুয়া চক্রের সদস্য গ্রেপ্তার, সতর্ক করল পুলিশ ভোলায় বৃদ্ধ বাবাকে গলায় চাপ দিয়ে হত্যা’চেষ্টার অভিযোগ, ছেলে গ্রেপ্তার বোরহানউদ্দিনে জমি দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ বোরহানউদ্দিনে ইয়াবাসহ গ্রেফতার এক,২০ পিস ইয়াবা,নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন উদ্ধার দৌলতখানের চাঞ্চল্যকর হ’ত্যা মামলায় গ্রেফতার ২

দশমিনায় আশ্রয়ন প্রকল্পের তিনটি ঘর বিক্রি

NEWS ROOM / ১৬৩ বার ভিউ
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৩ জুন, ২০২৩




আরিফুর রহমান ঝন্টু, দশমিনা প্রতিনিধিঃ

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়নে আশ্রয়ন প্রকল্পের তিনটি ঘর বিক্রি করে দিয়েছেন বরাদ্ধ পাওয়া সুবিধাভুগীরা। যানাযায়, প্রায় একযুগ আগে উপজেলার বুড়াগৌরাঙ্গ -তেতুলিয়া নদী বেষ্টিত চরবোরহান ইউনিয়নের দক্ষিন চরবোরহান গ্রামে ভুমিহীন ও ঠিকানাহীন দুস্ত পরিবারের মধ্যে বরাদ্ধ দেওয়ার জন্য আশ্রায়ন প্রকল্পের আওতায় ৭০টি ঘর নির্মান করে ছিন্নমুল পরিবারের মধ্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়। ওই প্রকল্পের আওতায় মনির চৌকিদার,(৪০) নুরু রাড়ী (৫০) অহিদুল আকন (৪২) তিনটি ঘর বরাদ্ধ পান। অভিযোগ রয়েছে তাদের নিজেস্ব বাড়ী ও জমি থাকা সত্বেও প্রতারণা করে নিজেদের নামে ঘরগুলো বরাদ্দ নেন। এলাকার একাধীক ব্যাক্তি যানান, বরাদ্দ পাওয়ার পরে একদিনের জন্যও তারা ওই ঘরে বসবাস করেননি। সম্প্রতি তারা তাদের বরাদ্দ পাওয়া ঘরগুলো বিক্রি করে দিয়েছে। সরজমিনে গিয়ে দেখাযায়, তিনটি ঘরের ভিটা পড়ে থাকলেও টিন, কাঠ, লোহার এ্যাঙ্গেলসহ সব মালামাল উধাও হয়ে গেছে।এ ব্যাপরে মনির চৌকিদার বলেন, নতুন করে ঘর নির্মান করার জন্য পুরান মালামাল ২১ হাজার টাকা বিক্রি করেছি। নুরু রাড়ী বলেন, আমার ঘরের মালামালও একই টাকায় বিক্রি করে নতুন ঘর তুলেছি। অহিদুল আকনকে তার মোবাইল ফোনে কল দিলেও সে সাংবাদিকদের সামনে আসেনি। স্থানীয় ভাঙ্গাড়ী ব্যাবসায়ী মকবুল হোসেন ঘরের মালামাল কেনার কথা শিকার করে বলেন, তারা মালামাল বিক্রির জন্য উলানিয়া নিয়ে যাচ্ছিল, আমি তাদের অনুরোধ করে কিনে রেখেছি। চরবোরহান ইউনিয়নের চেয়ারম্যার নজির আহম্মেদ সরদার বলেন, ঘরের মালামাল বিক্রি হয়েছে কিনা জানিনা, তবে শুনেছি বসবাসের অনুপোযোগী হয়ে পরায় ওরা তিনটি ঘর ভেংয়েছে এবং এ ব্যাপারে ইউএনও স্যারের কাছে ওরা গিয়েছিল। তিনি আরো বলেন, ভাংয়াচুরা এ্যাঙ্গেল-ট্যাগেল বিক্রি করলেও করতে পারে। এ ব্যাপারে দশমিনা উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা নাফিজা নাজ নীরা সময়ের আলোকে বলেন, এ বিষয় নিয়ে আমার কাছে কেউ কখোনও আসেনি। তাছাড়া সরকারী ঘর বিক্রি করার কোন সুযোগ নেই, বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ভাবে ব্যাবস্থা নেয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ

ক্যাটাগরি