• বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৮:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ভোলা শহরের প্রধান সড়কে অসংখ্য অটোরিকশার কারণে প্রতিদিনই সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট; দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ। ভোলার এক সময়ের কোলাহলময় খেয়াঘাট এখন সুনশান নীরব। লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকায় দিন দিন হারাচ্ছে তার ঐতিহ্য ও অস্তিত্ব। লালমোহনে খালখনন প্রকল্পের এলাকায় জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত সংস্কারের অভাবে জীর্ণ দশায় বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাস টার্মিনাল। নতুন করে নির্মাণের ঘোষণা থাকলেও বাস্তবায়নের দেখা নেই। ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইনে স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছে ওয়ালটন প্লাজা গ্রামীণ জনপদের একমাত্র ভরসা ভোলা সদরের ভেলুমিয়া ১০ শয্যার হাসপাতাল। লালমোহনে ব্রিজ ধসের ট্র্যাজেডি: ট্রাকচালক “নি”হ”ত, হেলপার আহত ভোলার বাজারে ক্রেতা কম সাগর-নদীতে ইলিশ সংকট, বাজারে চড়া দাম। অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর দক্ষতা উন্নয়নে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ আধুনিকতার ছোঁয়ায় অবহেলিত ডাকবাক্স, চিঠি কেন আসে না?

NEWS ROOM / ১২২ বার ভিউ
আপডেট : রবিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

আমার শৈশব


মোঃ মহিউদ্দিন
————–
আহা কি আনন্দ কি যে মজা
ছিল আমার শৈশব ছেলেবেলা,
বন্ধুদের সাথে নিয়ে কাচারি বাড়ির
দিঘির জলে করতাম খেলা।

বুনো শাক,পাখির ছানা
খুঁজে খুঁজে সময করতাম পার,
কই, শিং, সরপুঁটি মাছে
ভরা ছিল জলাধার।
কাচারী বাড়ির দীঘির জলে
সাঁতার কাটতাম
এপার থেকে ওপার।

“হারাহারি” “মগ মগ”
জলের খেলা খেলতাম,
খেলাধুলায় ঠকে গেলে
চোখের পানি ফেলতাম।

শীতের দিনে প্রতিবেশীর
বানানো খেজুর রসের পাটালি,
এখনো আমার খুব মনে পড়ে
খেতে কি যে মজা
মায়ের হাতের পিঠা পুলি।

ঝড় আসলেই বন্ধুরা মিলে
ফল গাছের তলায়
ফল কুড়ানোর পরে যেত ধুম,
শীতের রাতে জসিম মাষ্টার,
কবিরের কাচারীতে খেজুর রসের
ফিরনি -পায়স খাওযার জন্য
রাতে কারো হতোনা ঘুম।

খেলার সাথী, পড়ার সাথীরা
কোথায় হারিয়ে গেল,
কে কোথায় কি করে
কিইবা চাকরি পেল।

নির্জনে থাকলে-ই খুব মনে পড়ে,
সেই মধুর স্মৃতি-ই হয়ে রইল
আর কি কখনো ফিরে পাব তারে৷


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ

ক্যাটাগরি