• বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
লালমোহনে লঞ্চঘাটে তিন কিশোরী উদ্ধার অভিমান করে ঢাকা যাওয়ার পথে উদ্ধার,পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের উদ্যোগ ভোলায় গ্রাম পুলিশের নতুন আইন উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মো. ইউসুফ ভোলা-বরিশাল সরাসরি সেতুর দাবি | সড়ক যোগাযোগ পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনার আহ্বান মেহেন্দিগঞ্জে রাতের অভিযানে ১ কেজি ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুইজন গ্রেপ্তার ভোলার লালমোহনে কোস্টগার্ডের অভিযান অবৈধ সিগারেট জব্দ,চোরাচালান ঠেকাতে তৎপরতা ভোলায় পাঁচ দিনব্যাপী কৃষ্ণকথা ও গীতার আলোচনা,সনাতনী সমাজকে আমন্ত্রণ ভোলা সদর হাসপাতালে বিকল লিফট, প্রতিদিন রোগীদের ভোগান্তি ভোলায় কমছে না হাম-ডেঙ্গুর প্রকোপ, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি ভোলায় আগামীকাল ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ নৌযানের তথ্যভান্ডার তৈরির নতুন অধ্যায়,ভোলার ইলিশা ঘাটে নৌযান শুমারির উদ্বোধন

মুখরোচক খেজুর রস আহরণে ব্যস্ত গাছীরা।

NEWS ROOM / ১৪৫ বার ভিউ
আপডেট : মঙ্গলবার, ২ জানুয়ারি, ২০২৪




আরিফুর রহমান ঝন্টু, দশমিনা সংবাদদাতাঃ।

পটুয়াখালী জেলার দশমিনা উপজেলায় গ্রাম বাংলার আবহমান ঐতিহ্যবাহী খেজুর রস আহরণে ব্যস্ত গাছীরা। সকালের কুয়াশা ভেদ করা ভোরের সূর্যের লাল অভায় আর পাঁখিদের কিচিরমিচির ডাকে উস্ন বিছানার মিতালি ছেড়ে জীবিকা নির্বাহে নেমে পড়ে খেজুর রস আহরণে।

গত ১৫ বছর ধরে প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে এঅঞ্চলে খেজুর গাছের সংকট দেখা দিলেও গত তিন চার বছরের তুলনায় এবছর গাছে রস মিলছে। কুয়াশা মাখা শীতের ভোরে ও শেষ বিকেলে রস সংগ্রহ করতে দেখা গেছে গ্রাম গঞ্জের গাছিদের। শীত যত বাড়বে রসের স্বাদ তত বাড়বে। গাছিরা তাল পাতার ঢোলা বানিয়ে ভেতরে গাছ কাঁটার দাঁ ’কাচি, ও যাবতীয় সরমজান ভরে কোমড়ের সাথে মোটা রশি বেঁধে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দিনের প্রতিটা মুহুর্ত চসে বেড়ায় এগাছ থেকে ও গাছে। এভাবেই গত ২০ বছর ধরে গাছ কেঁটে রস সংগ্রহ করাই যেনো তার পেশা।

সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত ছেলেকে নিয়ে সারা দিনের পরিশ্রম করে হাঁড়ি ভর্তি রসে যেনো মুখে হাঁসির দেখা মিলছে। স্থানীয়দের চাহিদা পুরন করে রস দিয়ে মিঠা তৈরি করে বিক্রি করছে বিভিন্ন হাট বাজারে।শীতের শুরু থেকে গাছের পরিচর্যা করে শীত মৌসুমে রস সংগ্রহ করে গুড় তৈরির কাজে ব্যস্ত থাকেন গাছিরা।

পাটালি গুড় তৈরি করে বাজারে প্রতি কেজি বিক্রি করে ২২০ থেকে ২৫০ টাকা দরে। উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নে সরেজমিনে দেখা মিললে গাছি ফয়সালুর রহমান বলেন, সে প্রতি বছর খেঁজুর গাছ কেঁটে রস সংগ্রহ করে গুড় তৈরি করে বাজারে বিক্রি করে আর এতেই অনেক লাভোবান হন।

তিনি আরো বলেন, প্রতি বছর রস দিয়া শীতের চসি পিঠা ও পায়য়াস তৈরি হয় এবং রস দিয়ে সাজের পিঠা বানিয়ে খেতে খুব সুস্বাদু হয়। জীবিকা নির্বাহে হাঁড়ি ভর্তি রসের আয় দিয়েই চলে ফয়সালের সংসার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ

ক্যাটাগরি