• সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৫:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
এমপি হাফিজ ইব্রাহিমের স্নেহভাজন পক্ষিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন মাতাব্বরের জন্মদিন আজ বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের পতাকা উড়ালেন শ্রীমঙ্গলের কৃতি সন্তান সন্তোষ দেব ও মিতা দেবের গর্বিত সন্তান। ক্যা”ন্সারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই শেষে না ফেরার দেশে পুলিশ কর্মকর্তা মাকসুদুর রহমান ভোলায় দাফনের ১৫ দিন পর কবর থেকে আতরের ঘ্রাণ,এলাকায় তোলপাড় ভোলায় লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি কাটবে কবে? পক্ষিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রত্যাশী আল আমীনের গণসংযোগ শুরু মানবিক সহায়তায় পাশে এমপি হাফিজ ইব্রাহিম যেভাবে গ্রেপ্তার হলেন পুলিশের সাবেক আইজিপি বেনজীর ভোলায় রান্নাঘর সংস্কারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ৪ বোরহানউদ্দিনে ব্রাজিল সমর্থকদের মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা; শোভাযাত্রায় যোগ দিতে গিয়ে সড়ক/ দু/র্ঘ/ট/নায় নি/হ/ত/ হন যুবক মো. ইসমাইল।

নিষেধাজ্ঞার ১৪ দিনেও চাল পায়নি অধিকাংশ জেলেরা (চরম মানবেতর জীবন যাপন)

NEWS ROOM / ১২২ বার ভিউ
আপডেট : সোমবার, ৫ জুন, ২০২৩

সুজন হাওলাদার বিশেষ প্রতিনিধি ।।

গত ২০ মে থেকে সাগরে মাছ ধরা বন্ধ থাকায় নিবন্ধিত প্রত্যেক জেলেকে গড়ে ৮০ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার পর ১৪ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো সেই চাল জুটেনি অধিকাংশ জেলেদের ভাগ্যে। এতে একদিকে যেমন চরম সংকটে পড়েছেন জেলেরা। একদিকে আয়-রোজগার বন্ধ, অন্যদিকে ঋণের বোঝা আরও দীর্ঘ হচ্ছে জেলেদের।

সাগরে ইলিশসহ সামুদ্রিক মাছ ধরায় ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা থাকায় বেকার হয়ে পড়েছেন ভোলার জেলেরা। নিষেধাজ্ঞার এ সময় জেলেদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে পুনর্বাসনে চাল দেওয়ার কথা থাকলেও ১৪ দিনেও সেই চাল পৌঁছায়নি সবার হাতে।

এতে অভাব-অনটন আর অনিশ্চয়তা মধ্যে পড়েছেন জেলেরা। বিকল্প কর্মসংস্থান না থাকায় পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর দিন কাটছে তাদের। ধার-দেনা আর এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে কেউ কেউ কষ্টে চলার চেষ্টা করলেও অনেকেই পড়েছেন বিপাকে। তবে মৎস্য কর্মকর্তা বলছেন, চাল বিতরণ শুরু হয়ে গেছে।

জানা গেছে, বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন ভোলার লক্ষাধিক জেলে। যাদের মধ্যে ভোলার সাত উপজেলায় নিবন্ধন জেলে রয়েছেন প্রায় ৬৪ হাজার।

চরফ্যাশন উপজেলার বেতুয়া ও সামরাজ ঘাটের একাধিক জেলে জানান, নিবন্ধিত জেলেদের জন্য চাল দেওয়ার কথা, কিন্তু ১৪ দিনেও আমরা চাল পাইনি। পরিবার-পরিজন নিয়ে কষ্টে দিন অতিবাহিত করছি। ধার-দেনা করে চলতে গিয়ে ঋণের বোঝা ভারী হয়ে যাচ্ছে বলেও জানান জেলেরা।

কেউ আবার অভিযোগ করেন, বাংলাদেশি জেলেরা নিষেধাজ্ঞা মানলেও ভারতীয় জেলেরা সেই নিয়ম মানছেন না। তারা সাগরের বিভিন্ন পয়েন্টে মাছ ধরছেন। জেলেদের দাবি অতি দ্রুত যেন জেলে পুনর্বাসনের চাল বিতরণ শুরু হয়।

এ ব্যাপারে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোল্লা এমদাদুল্লা বলেন, খুব দ্রুই নিবন্ধিত সব জেলের কাছে বরাদ্দের চাল পৌঁছে দেওয়া হবে। কিছু কিছু এলাকায় ইতোমধ্যে চাল বিতরণ শুরু হয়েছে।

উল্লেখ্য, ইলিশসহ ৪৭৫ প্রজাতির সামুদ্রিক মাছের প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে গত ২০ মে থেকে শুরু হওয়া এ নিষেধাজ্ঞা চলবে আগামী ২৩ জুলাই পর্যন্ত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ

ক্যাটাগরি