মোঃ শহীদুল্লাহ ভোলা প্রকাশঃ
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি, প্রচার ও বিক্রির অভিযোগে রাজধানী থেকে সুমাইয়া সাঈদ (২৫) নামে এক ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সারকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগ। একই অভিযানে তার কথিত প্রধান সহযোগী ও প্রেমিক খাজা সাকলাইন ফারুককেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ডিবি সূত্র জানায়, সাইবার মনিটরিংয়ের সময় সুমাইয়ার ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টে আপত্তিকর ছবি-ভিডিও এবং সেগুলো বিক্রির বিজ্ঞাপন পাওয়া যায়। বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে এসব কনটেন্ট সরবরাহ করা হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।
প্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান শনাক্তের পর ১১ আগস্ট রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে সুমাইয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে দুটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড্ডার ‘ঢাকা পপুলার ট্রাভেলস’ এলাকা থেকে খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিবির দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমাইয়ার সঙ্গে আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় মেয়ের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবগত থেকেও তাকে বাধা না দেওয়া এবং ওই কর্মকাণ্ডের অর্থ গ্রহণের অভিযোগে সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদকেও মামলায় আসামি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় রমনা মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর আওতায় মামলা হয়েছে। চক্রটির আরও সদস্যকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে আদালতে গ্রেপ্তার দুজনের তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ।