• বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নেইমারের প্রত্যাবর্তনে উজ্জীবিত ব্রাজিল,স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে হারাল সেলেসাওরা। ভোলা শহরের প্রধান সড়কে অসংখ্য অটোরিকশার কারণে প্রতিদিনই সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট; দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ। ভোলার এক সময়ের কোলাহলময় খেয়াঘাট এখন সুনশান নীরব। লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকায় দিন দিন হারাচ্ছে তার ঐতিহ্য ও অস্তিত্ব। লালমোহনে খালখনন প্রকল্পের এলাকায় জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত সংস্কারের অভাবে জীর্ণ দশায় বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাস টার্মিনাল। নতুন করে নির্মাণের ঘোষণা থাকলেও বাস্তবায়নের দেখা নেই। ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইনে স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছে ওয়ালটন প্লাজা গ্রামীণ জনপদের একমাত্র ভরসা ভোলা সদরের ভেলুমিয়া ১০ শয্যার হাসপাতাল। লালমোহনে ব্রিজ ধসের ট্র্যাজেডি: ট্রাকচালক “নি”হ”ত, হেলপার আহত ভোলার বাজারে ক্রেতা কম সাগর-নদীতে ইলিশ সংকট, বাজারে চড়া দাম। অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর দক্ষতা উন্নয়নে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ

বঙ্গবন্ধুর শৈশব কৈশোর

NEWS ROOM / ১৪৬ বার ভিউ
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৩


ডাঃ মোঃ মহিউদ্দিন
————————
বঙ্গবন্ধু পরিবারের অত্যন্ত
আদুরে ছিলেন,
বাবাকে ভীষণ ভালোবাসতেন!
বাবা ছেলের সম্পর্কটা ছিল
খুবই দারুণ !
বাবার কাছেই বঙ্গবন্ধুর
লেখাপড়া শুরু,
বাবা-ই তার জীবনের
প্রথম শিক্ষাগুরু।
তিনি ছিলেন বংশের বড় ছেলে,
তাই আদর করে বাবা- মা
ডাকতেন’ খোকা ‘বলে।
তার শৈশব ছিল দুরন্তপনায় ভরা,
দুষ্টামির নালিশ হলে বাবার শাসন
চোখ রাঙানি ছিল ভীষণ কড়া।
তিনি বলেছেন ” আমি ভীষণ
একগুয়ে ছিলাম,
দলবল নিয়ে মারপিট করতাম,
কেউ কিছু বললে একসাথে
ঝাঁপিয়ে পড়তাম “।
ছোটোবেলা থেকেই খেলাধুলার
প্রতি ছিল ব্যাপক টান,
স্কুলে খেলার টিমের মধ্য
তার ছিল ভালো অবস্থান।
স্কুলে তিনি ক্যাপ্টেন ছিলেন।
তিনি নিয়মিত পত্রিকা পড়তেন।
তাই বাবা প্রতিদিন-ই
খবরের কাগজ রাখতেন
তখন পত্রিকা ছিল
আনন্দবাজার, বসুমতী, আজাদ,
মাসিক মোহাম্মদী,
নিয়মিত পড়তেন সওগাত।
শিক্ষাজীবনে বঙ্গবন্ধুর
অংকে ছিল ভীষণ ভয়,
তাছাড়া সমান পারদর্শী
ছিলেন সব বিষয়।
১৯৩৬ সালে তার চোখে
গ্লুকোমা নামে এক রোগ হয়।
দশ দিনের মধ্যে দুটি চোখের-ই অপারেশন করা হয় কলকাতায়।
সেই সময় থেকে-ই চশমা
পড়া শুরু হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ

ক্যাটাগরি