• বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বিশ্ব শিক্ষক দিবস:মনপুরার বসির আহাম্মেদ যেভাবে হলেন পুরো উপজেলার ‘বসির মাস্টার’ ছয় বছর আত্মগোপনে থেকেও শেষ রক্ষা হলো না,ভোলায় যাবজ্জীবন সাজা/প্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার। ভোলায় ৪০ পিস ইয়াবাসহ দুইজন আটক,পৃথক দুটি মামলা শেষ রজনীতে মহামায়ার বিদায়ী বার্তা—‘আবার ফিরবো,সমাজের বিভাজনকে চ্যালেঞ্জ করবো’ ভেলুমিয়ার বাঁধের পাড়ে ভোলায় চালু হচ্ছে কায়াকিং পয়েন্ট ভোলায় অনলাইন জুয়া চক্রের সদস্য গ্রেপ্তার, সতর্ক করল পুলিশ ভোলায় বৃদ্ধ বাবাকে গলায় চাপ দিয়ে হত্যা’চেষ্টার অভিযোগ, ছেলে গ্রেপ্তার বোরহানউদ্দিনে জমি দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ বোরহানউদ্দিনে ইয়াবাসহ গ্রেফতার এক,২০ পিস ইয়াবা,নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন উদ্ধার দৌলতখানের চাঞ্চল্যকর হ’ত্যা মামলায় গ্রেফতার ২

বঙ্গবন্ধুর শৈশব কৈশোর

NEWS ROOM / ১৭৫ বার ভিউ
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৩


ডাঃ মোঃ মহিউদ্দিন
————————
বঙ্গবন্ধু পরিবারের অত্যন্ত
আদুরে ছিলেন,
বাবাকে ভীষণ ভালোবাসতেন!
বাবা ছেলের সম্পর্কটা ছিল
খুবই দারুণ !
বাবার কাছেই বঙ্গবন্ধুর
লেখাপড়া শুরু,
বাবা-ই তার জীবনের
প্রথম শিক্ষাগুরু।
তিনি ছিলেন বংশের বড় ছেলে,
তাই আদর করে বাবা- মা
ডাকতেন’ খোকা ‘বলে।
তার শৈশব ছিল দুরন্তপনায় ভরা,
দুষ্টামির নালিশ হলে বাবার শাসন
চোখ রাঙানি ছিল ভীষণ কড়া।
তিনি বলেছেন ” আমি ভীষণ
একগুয়ে ছিলাম,
দলবল নিয়ে মারপিট করতাম,
কেউ কিছু বললে একসাথে
ঝাঁপিয়ে পড়তাম “।
ছোটোবেলা থেকেই খেলাধুলার
প্রতি ছিল ব্যাপক টান,
স্কুলে খেলার টিমের মধ্য
তার ছিল ভালো অবস্থান।
স্কুলে তিনি ক্যাপ্টেন ছিলেন।
তিনি নিয়মিত পত্রিকা পড়তেন।
তাই বাবা প্রতিদিন-ই
খবরের কাগজ রাখতেন
তখন পত্রিকা ছিল
আনন্দবাজার, বসুমতী, আজাদ,
মাসিক মোহাম্মদী,
নিয়মিত পড়তেন সওগাত।
শিক্ষাজীবনে বঙ্গবন্ধুর
অংকে ছিল ভীষণ ভয়,
তাছাড়া সমান পারদর্শী
ছিলেন সব বিষয়।
১৯৩৬ সালে তার চোখে
গ্লুকোমা নামে এক রোগ হয়।
দশ দিনের মধ্যে দুটি চোখের-ই অপারেশন করা হয় কলকাতায়।
সেই সময় থেকে-ই চশমা
পড়া শুরু হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ

ক্যাটাগরি