মেঘনা-তেঁতুলিয়ার বিশাল জলরাশি প্রতিদিন মনে করিয়ে দেয়—মূল ভূখণ্ড থেকে ভোলার দূরত্ব শুধু কয়েক কিলোমিটারের নয়, এটি সুযোগ ও সম্ভাবনারও দূরত্ব।
একটি সেতুর অভাবে চিকিৎসা, শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানের পথে প্রতিনিয়ত তৈরি হচ্ছে অনিশ্চয়তা। ফেরিঘাটে অপেক্ষা, নদী পারাপারের ঝুঁকি আর সময়ের অপচয়—সব মিলিয়ে ভোলাবাসীর কাছে যোগাযোগ যেন দীর্ঘদিনের এক অমীমাংসিত প্রশ্ন।
প্রশ্ন উঠছে—উন্নয়নের নতুন সড়ক পরিকল্পনায় ভোলা-বরিশাল সরাসরি সেতু কতটা গুরুত্ব পাচ্ছে?
ভোলাবাসীর দাবি, শুধু নতুন সড়কের নকশা নয়—বাস্তবতা, অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি বিবেচনায় নিয়ে পুরো যোগাযোগ পরিকল্পনা নতুন করে মূল্যায়ন করা হোক।
“আমরা কি শুধু নদী পার হওয়ার অপেক্ষায় থাকব, নাকি একদিন সেতু পেরিয়ে উন্নয়নের মূল স্রোতে যুক্ত হব?”
একটি সেতু শুধু দুই প্রান্তকে যুক্ত করে না—যুক্ত করে মানুষ, অর্থনীতি, শিক্ষা, চিকিৎসা ও সম্ভাবনাকে।
তাই ভোলাবাসীর প্রত্যাশা—
ভোলা-বরিশাল সরাসরি সেতুর সম্ভাব্যতা ও বাস্তবায়ন নিয়ে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণা করা হোক।
মেঘনার বুকের ওপারে আজও অপেক্ষা করছে একটি জনপদ—
সেতুর জন্য নয় শুধু, সমঅধিকারের জন্য।