• বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নৌযানের তথ্যভান্ডার তৈরির নতুন অধ্যায়,ভোলার ইলিশা ঘাটে নৌযান শুমারির উদ্বোধন নিরাময়কেন্দ্র নাকি ‘গোপন কারাগার’—উঠছে গুরুতর প্রশ্ন সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে মিলল হারানো শিশু,বাবার কোলে ফিরল আদিব সিঁড়ি পরিষ্কারকে কেন্দ্র করে ভোলা হাসপাতালে হাতাহাতি,ঘণ্টাব্যাপী কর্মবিরতি ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার গ্রে প্তার,মামলায় বাবাও আসামি ভোলায় আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণে শনাক্ত, উদ্ধার স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা ভোলার বোরহানউদ্দিনের গর্ব: উপসচিব হলেন কৃতী দম্পতি পিজুস চন্দ্র দে ও শুভ্রা দাস তালতলা বাজারে পুলিশের অভিযান, ৭০ গ্রাম গাঁজাসহ আটক ১ ২৭ বছর পর কারাগারের দরজা খুলছে কালুর, ফিরছেন স্বজনদের কাছে ভোলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্পটে পুলিশের চেকপোস্ট।

নিরাময়কেন্দ্র নাকি ‘গোপন কারাগার’—উঠছে গুরুতর প্রশ্ন

NEWS ROOM / ২৫ বার ভিউ
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬

নিউজ ডেস্ক ভোলা প্রকাশ:
মাদকাসক্তি থেকে মুক্তির আশায় স্বজনরা প্রিয়জনকে ভর্তি করান নিরাময়কেন্দ্রে। কিন্তু চিকিৎসার আড়ালে যদি সেই প্রতিষ্ঠানই হয়ে ওঠে আটকে রাখার জায়গা, তাহলে প্রশ্ন ওঠে—নিরাময় নাকি বন্দিত্ব?

দেশের বিভিন্ন মাদকাসক্তি নিরাময়কেন্দ্রের একটি অংশের বিরুদ্ধে রোগীদের জোরপূর্বক আটকে রাখা, মারধর, পর্যাপ্ত চিকিৎসা না দেওয়া এবং স্বজনদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের মতো অভিযোগ উঠেছে। এর সঙ্গে নতুন করে আলোচনায় এসেছে কথিত ‘ক্যাচিং পার্টি’—যাদের মাধ্যমে কাউকে মাদকাসক্ত সাজিয়ে জোর করে কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

রাজধানীর গুলশানের একটি বেসরকারি নিরাময়কেন্দ্র ঘিরে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, রোগীদের কাছ থেকে বড় অঙ্কের অর্থ নেওয়া, ব্যক্তিগত সামগ্রী জব্দ করা এবং বিশেষ নিরাপত্তাবেষ্টিত কক্ষে আটকে রাখার অভিযোগ। এমনকি সেখানে থাকা কয়েকজন দাবি করেছেন, তারা নিজেদের ইচ্ছায় কেন্দ্রে আসেননি।

অনুসন্ধানে আরও অভিযোগ পাওয়া গেছে, মাদকাসক্তদের পাশাপাশি মানসিক রোগী এবং বিভিন্ন ধরনের আসক্তিতে আক্রান্ত ব্যক্তিদেরও একই ব্যবস্থাপনায় রাখা হচ্ছে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবি, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং কাউকে মাদকাসক্ত সাজিয়ে আটকে রাখার সুযোগ নেই।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মাদকাসক্তি নিরাময়কেন্দ্রে চিকিৎসা ও নিরাপত্তার পাশাপাশি রোগীর মানবাধিকার নিশ্চিত করাও জরুরি। অভিযোগগুলো সত্য হলে তা শুধু একজন রোগীর অধিকার লঙ্ঘন নয়, পুরো নিরাময়কেন্দ্র ব্যবস্থার ওপরই তৈরি করতে পারে গুরুতর আস্থার সংকট।

তাই প্রয়োজন—নিরাময়কেন্দ্রগুলোর নিয়মিত তদারকি, চিকিৎসাব্যবস্থার স্বচ্ছতা এবং রোগীদের অধিকার রক্ষায় কার্যকর নজরদারি। চিকিৎসার নামে কোনো প্রতিষ্ঠান যেন মানুষের জন্য ‘গোপন কারাগার’ হয়ে উঠতে না পারে—এটাই এখন বড় প্রশ্ন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ

ক্যাটাগরি