শিরোনাম
মহাঅষ্টমীতে চরফ্যাশন বাজারের সব স্বর্ণের দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত ঢাকের বাদ্য আর ভক্তির আবেশে মহাসপ্তমী,মণ্ডপে মণ্ডপে প্রার্থনা মেঘনায় মা ইলিশ নিধনের ভিডিও করতেই হামলা? অভিযুক্ত কামালসহ কয়েকজন বোরহানউদ্দিনে দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে এমপি হাফিজ ইব্রাহিমের শাড়ি বিতরণ ভোলায় দুর্গোৎসবের নিরাপত্তায় মাঠে ডিসি-এসপি, পরিদর্শন বিভিন্ন পূজামণ্ডপ সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্‌যাপনে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে সম্প্রীতি, দেশটা সবার: প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান মেহেন্দিগঞ্জে মন্দিরে মন্দিরে বস্ত্র বিতরণ,সহাবস্থানের বার্তা ১৭ বছরের প্রবাসজীবনের উপার্জনে গড়া বাড়িতেই ঠাঁই নেই মোসারেফের! সম্পদের হিসাব ও বিয়েকে কেন্দ্র করে পারিবারিক বিরোধ, ১৬ লাখ টাকার মামলায় দুই দিন হাজতবাসের দাবি প্রবাসফেরত ব্যক্তির ভোলায় দুর্গোৎসবে ২৯ মন্দিরে ২৯ লাখ টাকা বরাদ্দ দিলেন মন্ত্রী পার্থ ভোলা সরকারি কলেজ : ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের ওপর কোনো হস্তক্ষেপ করা হয়নি: জেলা ছাত্রদল চরফ্যাশনের নজরুল নগর ইউপি নির্বাচনে আলোচনায় মোল্লা আসাদুর রহমান রুবেল শাসক নয়, জনসেবক হতে চান তিনি

ভোলা-ঢাকা নৌরুটে লঞ্চ ক্যান্টিনে অতিরিক্ত দামে খাবার বিক্রির অভিযোগ

NEWS ROOM / ১০৯ বার ভিউ
আপডেট : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬




নিজস্ব প্রতিবেদক ভোলা প্রকাশঃ

ভোলা থেকে ঢাকা রুটে চলাচলকারী যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোর ক্যান্টিনে অতিরিক্ত দামে নিম্নমানের খাবার ও পানীয় বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। যাত্রীদের দাবি, নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি দামে পণ্য বিক্রি করে নিয়মিতভাবে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে।

রবিবার (১০ মে) ভোলা থেকে ঢাকাগামী কর্ণফুলী–৯ লঞ্চসহ বিভিন্ন লঞ্চে থাকা একাধিক যাত্রী জানান, ইলিশা লঞ্চঘাট থেকে চলাচলকারী কর্ণফুলী, পুবালী ও দোয়েলপাখি লঞ্চের ক্যান্টিনে চা, কফি, পানি, কোমল পানীয়, বিস্কুটসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য অতিরিক্ত দামে বিক্রি করা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে পণ্যের গায়ে লেখা দামের চেয়েও বেশি টাকা নেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে।

যাত্রীদের অভিযোগ অনুযায়ী, এক কাপ রং চা ১০–১৫ টাকা, দুধ চা ২০–২৫ টাকা, ২০ টাকার পানির বোতল ৩০–৪০ টাকা এবং ১০ টাকার চিপস ২০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। এছাড়া লঞ্চের খাবারের মান অনুযায়ী দামও অস্বাভাবিকভাবে বেশি নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

ইলিশা থেকে ঢাকাগামী যাত্রী আবদুস সালাম বলেন, “লঞ্চে চলার সময় বাইরে থেকে কিছু কেনার সুযোগ নেই। ক্যান্টিনের ওপরই নির্ভর করতে হয়। সেই সুযোগেই অতিরিক্ত দাম নেওয়া হচ্ছে।”

আরেক যাত্রী শোভন বিশ্বাস অভিযোগ করেন, দোয়েলপাখি লঞ্চে খাবার কিনতে গিয়ে তিনি দেখেন ভাতের প্লেট ৪০ টাকা, মুরগির মাংস ১৬০ থেকে ২০০ টাকা এবং ছোট মাছের একটি পিস ১৬০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। পাশাপাশি ডাল ও আলুর দামও স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।

যাত্রীদের অভিযোগ, এসব অনিয়ম দীর্ঘদিন ধরে চললেও কর্তৃপক্ষ কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এতে প্রতিদিন শত শত যাত্রী আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

এ বিষয়ে ভোলা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান বলেন, লঞ্চের ক্যান্টিনে নির্ধারিত মূল্যতালিকা টানানোর বিষয়ে দ্রুত নির্দেশনা দেওয়া হবে এবং অনিয়মের অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যাত্রীদের দাবি, নিয়মিত তদারকি, মূল্যতালিকা প্রদর্শন এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালানো হলে এ ধরনের অনিয়ম অনেকাংশে কমে আসবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ

ক্যাটাগরি