• সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ১০:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
চোর ধরিয়ে দিলেই ২০ হাজার টাকা পুরস্কার—বোরহানউদ্দিনে ব্যতিক্রমী ঘোষণা। মেঘনা থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন ও ইজারা বাতিলের দাবিতে ভোলায় মানববন্ধন। ভোলায় র‍্যাবের অভিযানে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আটক। জমি বিরোধের জেরে শিক্ষককে হামলা-হুমকির অভিযোগ,নিরাপত্তাহীনতায় রাশেদ মামলা, পাল্টা মামলা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগ;নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি ভুক্তভোগীর নবগঠিত ভোলা জেলা সিএনজি-হালকাযান পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত ভোলা জেলা পরিষদে বিভিন্ন গ্রেডে চাকরি,আবেদন ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। সরকারি খরচে আইনগত সহায়তা পৌঁছে দিতে ভোলায় উঠান বৈঠক, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার। খাল পুনঃখনন শেষে ১ কোটি ২ লাখ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত, দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন চরফ্যাশনের ইউএনও রুমানা আফরোজ ভোলা সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা.শুভ প্রসাদ দাসের সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি। হঠাৎ সদর হাসপাতালে এমপি পার্থ,রোগীদের পাশে দাঁড়িয়ে শুনলেন সেবার বাস্তব চিত্র

শেখ রাসেলকে নিয়ে ভোলার ছেলে শাফায়াত হোসেন সিয়ামের লেখা!

NEWS ROOM / ১৯১ বার ভিউ
আপডেট : রবিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২২

  1. শেখ রাসেলকে নিয়ে ভোলার ছেলে শাফায়াত হোসেন সিয়ামের লেখা!

কি দোষ ছিল শেখ রাসেলের?

মোঃ শাফায়াত হোসেন (সিয়াম)।।

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল ১৯৬৪ সালের ১৮ অক্টোবর ঢাকার ধানমন্ডিতে ৩২ নম্বর বঙ্গবন্ধু ভবনে জন্মগ্রহণ করে। ৫ ভাই-বোনের মধ্যে শেখ রাসেল ছিল সবার ছোট। তার স্বপ্নীল চোখ দুটি ছিল মায়া ভরা। পরিবারের সবাই তাকে আদর করতেন। ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুলে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ত শেখ রাসেল। মাত্র ১০ বছর বয়সের সুন্দর ফুটফুটে প্রানবন্ত ছেলে রাসেল। কিভাবে মানুষ তাকে খুন করতে পারে? ঘাতকেরা এই প্রজাতির মতো শিশুটিকে ও প্রানে বাচতে দেয়নি। কি দোষ ছিল শেখ রাসেলের?

 

সেই ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টের ভয়াল কালোরাত, পবিত্র শুক্রবার। রাতের নিস্তব্ধ নিরবতা ভঙ্গ করে মসজিদে মসজিদে ফজরের আজান ধ্বনিত হচ্ছে। স্বাধীন বাংলাদেশে পথভ্রষ্ট কিছু সংখ্যক সামরিক আমলা ও ক্ষমতালোভী দেশ বিরোধীরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ধানমন্ডির ৩২ নম্বর রোডের ঐতিহাসিক বাড়িতে এক কুখ্যাত হামলা চালিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবার পরিজনকে হত্যা করে, ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যাকাণ্ডটি ঘটায়। ঘাতকরা সেদিন ১০ বছরের ছোট শিশু শেখ রাসেলকেও বাচতে দেয়নি।

শেখ রাসেলকে হত্যা করার পূর্বে শিশু রাসেল আতঙ্কিত হয়ে কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেছিল, “আমি মায়ের কাছে যাবো, আমি মায়ের কাছে যাবো, আমাকে মায়ের কাছে নিয়ে যাও”। পরবর্তীতে মায়ের লাশ দেখার পর অশ্রুসিক্ত কন্ঠে মিনতি করেছিলো, “আমাকে হাসু (শেখ হাসিনা) আপার কাছে পাঠিয়ে দিন। “শেখ রাসেলকে ঘাতকরা হত্যা করার সময় শেখ রাসেল আরো বলেছিলো,” আমাকে মেরো না, আমি ছোট, আমি কোনো অপরাধ করিনি”।

কিন্তু সেই ঘাতকরা এই নিরপরাধ শিশুটিকে হত্যা করলো। কিভাবে পারলো তারা এই ছোট শিশুটিকে হত্যা করতে? ঘাতকের বুলেট স্তব্ধ করে দিয়েছে তার দুরন্ত পথচলা, মুখফোটা হাসি। কিন্তু কি দোষ ছিল ১০ বছরের ছোট শিশু শেখ রাসেলের? বড় হওয়ার কতই না স্বপ্ন ছিলো শিশু শেখ রাসেলের; কিন্তু সব কিছুই স্তব্ধ হয়ে যায় মানবরূপি দানবের হাতে। শেখ রাসেল চিরকালের শিশু হয়ে এদেশের সব শিশুদের মাঝে বেচে আছে।

লেখক:
মোঃ শাফায়াত হোসেন (সিয়াম)
সভাপতি, এনসিটিএফ, ভোলা জেলা।
বিএসসি ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং (অধ্যয়নরত), বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
মোবাইল: ০১৬৪৮৫৮৯৩৫৮


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ

ক্যাটাগরি