মেহেন্দিগঞ্জ প্রতিনিধি:
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর, চানপুর, উলানিয়া, চরএককরিয়া, চরগোপালপুর,আলিমাবাদ ইউনিয়নে টানা বৃষ্টির কারণে ইরি ধান ঘরে তোলা নিয়ে কৃষকের মাঝে চরম উদ্বেগ-উৎকন্ঠায় দেখা দিয়েছে। মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ব্যাপকভাবে ইরি ধানের চাষ হয়েছে। বিশেষ করে উত্তর চর, চরহোগলা, বাজিৎখা, মাঝেরচর,দাদপুর, তরইলিশা, সেলিমাবাদ,স্বাধীন বাজার, দারোগার চর, চরমহিষা, চরডাইয়া, চরখাগকাটা, শ্রীপুর, বালিয়া, হাসানপুর, রাজাপুর ও সুইচ গেট এলাকায় বেশি চাষাবাদ হয়েছে। কৃষক শাহে আলম ও সুজন হাওলাদার গণমাধ্যমকে জানান, অধিকাংশ ধান ইতোমধ্যে পেঁকে গেছে। কিন্তু কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির ফলে জমিতে পানি জমে থাকায় ধান কাঁটা সম্ভব হচ্ছে না। বড় হারভেস্টার মেশিন ব্যবহার করা যাচ্ছে না, আবার শ্রমিক দিয়েও ধান কাটতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তারা আরও বলেন, ধান যদি বেশিদিন জমিতে পড়ে থাকে তাহলে গাছ নুয়ে পড়বে বা মাটির সাথে মিশে যাবে,এতে ফলন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
স্থানীয় কৃষকদের আশংকা,দ্রুত আবহাওয়া স্বাভাবিক না হলে পাঁকা ধান নষ্ট হয়ে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে হবে ধান চাষিদের। এবিষয়ে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ চন্দ্র শেখর বসু মুঠোফোনে জানান, আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে টানা বৃষ্টির সম্ভাবনার সংবাদ পেয়ে আমরা সকল চাষিদেরকে বৃষ্টি শুরু হওয়ার আগেই ক্ষেত থেকে ফসল কেটে ঘরে তোলার নির্দেশ দিয়েছি। অনেকে ফসল কেটে নিয়েছে, যাহারা ফসল ঘরে তুলতে পারেনি তাহারাতো ক্ষতিগ্রস্থ হবে, দুই-এক দিনের মধ্যে বৃষ্টি কমে যাবে,বৃষ্টি কমলেই দ্রুত ধান কাটার ব্যবস্থা নেওয়া হবে, নইলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।