• শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নবগঠিত ভোলা জেলা সিএনজি-হালকাযান পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত ভোলা জেলা পরিষদে বিভিন্ন গ্রেডে চাকরি,আবেদন ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। সরকারি খরচে আইনগত সহায়তা পৌঁছে দিতে ভোলায় উঠান বৈঠক, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার। খাল পুনঃখনন শেষে ১ কোটি ২ লাখ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত, দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন চরফ্যাশনের ইউএনও রুমানা আফরোজ ভোলা সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা.শুভ প্রসাদ দাসের সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি। হঠাৎ সদর হাসপাতালে এমপি পার্থ,রোগীদের পাশে দাঁড়িয়ে শুনলেন সেবার বাস্তব চিত্র খাল পুনঃখননে সাশ্রয়,সরকারি কোষাগারে ফিরল ২ কোটি ২০ লাখ টাকা।সততার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ইউএনও বেদবতী মিস্ত্রী। ‘জ্বিন হাজিরে স্বর্ণ দ্বিগুণ’— প্রতারণার ফাঁদে ১৭ নারী,দুলারহাটে চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার। ৩০ জুলাই একযোগে এসএসসির ফল প্রকাশ। বোরহানউদ্দিনে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘবদ্ধ হামলার অভিযোগ,নারীসহ আ’হত ৫

মনপুরায় বিশেষ অভিযানে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার

NEWS ROOM / ১৯১ বার ভিউ
আপডেট : বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫

মোঃ শাকিল খান রাজু সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার।।

ভোলার মনপুরায় বিশেষ অভিযানে জিআর ৭৩/১৯ মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি মোহাম্মদ আবুল কালামকে গ্রেফতার করেছে মনপুরা থানা পুলিশ। থানার সুযোগ্য অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মজিবুর রহমান এর সুনির্দেশনায় এ এস আই সাগর, এ এস আই মিজানুর ও এ এস আই ইব্রাহিম সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান পরিচালনা করেন। গ্রেফতার হওয়া আবুল কালাম চর ফৈজউদ্দিন এলাকার মৃত চান মিয়ার ছেলে।

বুধবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে চরফ্যাশন অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ আদালতের বিচারক শওকত হোসেন এ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন। আদালত দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় আসামি আবুল কালামকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে অপর আসামি মো. জয়নাল, কালাম ও রনিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, চর ফৈজউদ্দীন গ্রামের মো. আলাউদ্দীন, যিনি ফকিরহাট বাজারে সার কীটনাশকের ব্যবসায়ী ও ডাচ–বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট শাখা পরিচালনাকারী ছিলেন, তাকে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। পরদিন নিহতের ভাই জাফর হোসেন তিনজনকে আসামি করে মনপুরা থানায় মামলা দায়ের করেন। পরবর্তী তদন্তে সাতজনের বিরুদ্ধে দুটি চার্জশিট দাখিল করা হয়। অপ্রাপ্তবয়স্ক তিন আসামির বিচার শিশু আদালতে চলমান থাকায় চারজন প্রাপ্তবয়স্ক আসামির বিচারকাজ সম্পন্ন হয়।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতার আসামি আবুল কালাম হত্যায় ব্যবহৃত দুইটি ছুরি উদ্ধার করে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দেন। এ ছুরিগুলোকে মামলার প্রধান আলামত হিসেবে গ্রহণ করেছে আদালত।

রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট হযরত আলী হিরণ বলেন,
দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া শেষে আলোচিত এ মামলার রায় প্রমাণ করেছে অপরাধী যেই হোক, আইনের চোখে কেউই ছাড় পায় না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ

ক্যাটাগরি