• রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ভোলার লালমোহনে বাসচাপায় প্রা’ণ গেল ৬ বছরের শিশু মাইশার। বোরহানউদ্দিনে বাড়িতে গাঁজার গাছ রোপণের অভিযোগে যুবক আটক। ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। বোরহানউদ্দিনে চর থেকে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রির অভিযোগ,ক্ষতির মুখে কৃষিজমি। আগামীকাল ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না ভোলার বিস্তীর্ণ এলাকায়,আগাম প্রস্তুতির আহ্বান। ভোলা, ইলিশা–চরফ্যাশন মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার নিয়ন্ত্রণের দাবি, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতে বাস মালিক সমিতির সংবাদ সম্মেলন। ভোলা যুগীরঘোল পানিরকল এলাকায় তীব্র যানজট,অ্যাম্বুলেন্সে থাকা মুমূর্ষু রোগীও আটকা। মায়ের জন্য এস্রাজের সুরে আবেগঘন এক বিকেল,মুগ্ধ করলেন শিল্পী আসিফ আলতাফ ভোলায় সহায়ক কর্মচারীদের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ-২০২৬ এর সমাপনী,সার্টিফিকেট ও পুরস্কার বিতরণ বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের উদ্যোগে গ্রাহক সমাবেশ,র‍্যালি, লিফলেট বিতরণ ও বাংলা কিউআর কোড হিসাব খোলার পদ্ধতি বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

ভোলায় শিশু নিউমোনিয়ার প্রকোপ চাপ সামলাতে হিমসিম সদর হাসপাতাল

NEWS ROOM / ১৩৮ বার ভিউ
আপডেট : রবিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৩

আশিকুর রহমান শান্ত ভোলা প্রতিনিধিঃ

গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণ আর দিনে গরম রাতে শীত অনুভূত হওয়ায় উপকূলীয় জেলা ভোলায় বেড়েছে শিশুদের নিউমোনিয়া সহ ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপ। এতে রোগীদের চাপ বেড়েছে ভোলার ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে। চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন নার্স ও ডাক্তাররা।

বর্তমানে এ হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা দুই শতাধিক, যাদের মধ্যে নিউমোনিয়া আক্রান্ত দেড় শতাধিক। হাসপাতালে রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় দেখা দিয়েছে শয্যা সংকট, চিকিৎসা নিতে মেঝেতেও ঠাঁই মিলছেনা রুগীদের, এতে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন রোগীর স্বজনরা।

ভোলা ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ড ঘুরে দেখা গেছে, বেডগুলোতে গড়ে দুই থেকে তিনজন করে রোগী অন্যদিকে মেঝেতে তিল ধারনের ঠাঁই নেই। শিশু ওয়ার্ড চত্বর, সিঁড়ি ও লিফটসহ পুরো চত্বর জুড়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন রোগীরা। যেখানে ফাঁকা পাচ্ছেন সেখানেই বিছানা পেতে সেবা নিচ্ছেন। তবে রোগীদের অভিযোগ, বেড না থাকায় এভাবে গাদাগাদি করে মেঝেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে তাদের। এর মধ্যে আবার প্রয়োজনীয় সংখ্যক নেই নার্স। ৮৯ জন নার্সের মধ্যে অর্ধশতাধিক নার্সের পদ শূন্য থাকায় প্রয়োজনীয় সেবা পাচ্ছে না রুগীরা।

চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর স্বজন মোহাম্মদ আলী, বকুল বেগম ও আরিফ সহ একাধিক অভিভাবক জানান, হঠাৎ করেই এ রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় শিশুদের নিয়ে চিন্তায় পরেছে তারা। রোগীকে চিকিৎসা করাতে এসেও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বেডে তো জায়গা হচ্ছেই না, মেঝেতেও গাদাগাদি করে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। তার উপর হাসপাতালের অপরিচ্ছন্নতা ও ভোটকা দুর্গন্ধে বিষিয়ে উঠেছে পরিবেশ।

জানা গেছে, শিশু ওয়ার্ডের একটি বেডে গড়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন তিন থেকে চারজন রোগী। গত এক সপ্তাহে পুরো জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা ৪ শতাধিক। এদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে এক শিশুর।

ভোলার ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. তায়েবুর রহমার জানান, টানা বৃষ্টি, দিনের গরম এবং রাতে ঠান্ডা অনুভূত হওয়ায় আবহাওয়ার পরিবর্তন কারণে ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। তবে রোগীর চাপ বেশি থাকলেও আমরা প্রয়োজনীয় সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি।

ভোলার সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সূত্র জানিয়েছে, গত এক মাসে জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা দেড় হাজারের অধিক। এক সপ্তাহে আক্রান্ত ৪০০ জন। মৃত্যু হয়েছে একজনের।

তারা জানান, ভোলার জেনারেল হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে শুক্রবার (২৯ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত ২২৫ জন রোগী চিকিৎসাধীন ছিল, যাদের মধ্যে নিউমোনিয়া আক্রান্ত ১৭৫ জন।

এ হাসপাতালে চিকিৎসক ও নার্সের অর্ধশতাধিক পদ শূন্য থাকায় রোগী সামাল দেওয়া কষ্ট সাধ্য হয়ে পড়েছে সংশ্লিষ্টদের। তবে, আবহাওয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এ অবস্থার উন্নতি হবে।

তবে চিকিৎসকরা বলছেন, সংক্রমণ রোধে শিশুদের প্রতি অভিভাবকদের আরও বেশী যত্নবান হওয়া প্রয়োজন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ

ক্যাটাগরি