• মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
৩০ জুলাই একযোগে এসএসসির ফল প্রকাশ। বোরহানউদ্দিনে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘবদ্ধ হামলার অভিযোগ,নারীসহ আ’হত ৫ ভোলার পথে ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ ভোলার দৌলতখানে সাপের দংশনে জেলের মৃত্যু! ভোলার লালমোহনে বাসচাপায় প্রা’ণ গেল ৬ বছরের শিশু মাইশার। বোরহানউদ্দিনে বাড়িতে গাঁজার গাছ রোপণের অভিযোগে যুবক আটক। ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। বোরহানউদ্দিনে চর থেকে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রির অভিযোগ,ক্ষতির মুখে কৃষিজমি। আগামীকাল ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না ভোলার বিস্তীর্ণ এলাকায়,আগাম প্রস্তুতির আহ্বান। ভোলা, ইলিশা–চরফ্যাশন মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার নিয়ন্ত্রণের দাবি, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতে বাস মালিক সমিতির সংবাদ সম্মেলন।

ভোলায় মৎস্যসম্পদ রক্ষায় বিশেষ কম্বিং অপারেশন পরিচালনা করা হয়।

NEWS ROOM / ১৫২ বার ভিউ
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৩

আলী হোসেন রুবেল ভোলা ।

ভোলায় মৎস্যসম্পদ রক্ষায় বিশেষ কম্বিং অপারেশন পরিচালনা করা হয়। জানা যায়,মৎস্যসম্পদ ধ্বংসকারী অবৈধজাল নির্মূল, জাটকা ও ছোট মাছ সংরক্ষণে ভোলার মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীতে গত ৪ জানুয়ারি শুরু হয়েছিল এ বিশেষ কম্বিং অপারেশন। তার‌ই ধারাবাহিকতায় সোমবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল ৭টা থেকে ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোল্লা এমদাদুল্লাহ’র নেতৃত্বে দিনব্যাপ মেঘনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে এ বিশেষ কম্বিং অপারেশন পরিচালনা করা হয়।

চার ই জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এ অভিযান চলবে ২ মাস ব্যাপী । দীর্ঘই দুই মাস ব্যাপী মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদী থেকে নিষিদ্ধ জাল মুক্ত করতে যৌথ অভিযান পরিচালনা করছে স্থানীয় প্রশাসন ও জেলা মৎস্য বিভাগ। এর মাধ্যমে ইলিশ সহ সকল প্রজাতির মাছের উৎপাদন বাড়বে আর জেলেদের ভাগ্যের উন্নয়ন হবে বলে মনে করছেন ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোল্লা এমদাদুল্লাহ।

মৎস্য কর্মকর্তা মোল্লা এমদাদুল্লাহ আরো জানান, উপকূলের নদ-নদীর মাছ ধংসকারী নিষিদ্ধ বেহুন্দী জাল, খুটি জাল, কারেন্ট জাল, মশারি জাল, পাই জালসহ অবৈধ জাল অপসারণে ৪ জানুয়ারি থেকে ভোলায় ‘বিশেষ কম্বিং’ অপারেশন শুরু করেছি আমরা।
মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীতে চার ধাপে এ অপারেশন চলবে আগামী ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত। একইসঙ্গে গেল নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া জাটকা সংরক্ষণ অভিযান অব্যাহত আছে। নির্দেশনা অনুযায়ী নদী থেকে অবৈধ জালমুক্ত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ যৌথভাবে অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে জেলে ও ব্যবসায়ীদের সর্তক করা হচ্ছে। অভিযানের প্রথম দিন থেকে আজ পর্যন্ত নদীর মধ্যে পুঁতে রাখা খুঁটি ও নিষিদ্ধ জাল অপসারণ করে চলছি আমরা। বিশেষ করে ছোট ফাঁসের জাল যেন নদীতে ফেলতে না পারে সেদিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আমরা জেলেদেরকে বড় ফাঁসের জাল ব্যবহারের জন্য উদ্বুদ্ধ করছি। ইতিমধ্যে জেলেরা আমার কথা মেনে নিয়ে আমার পরামর্শ অনুযায়ী বড় ফাঁসের জালের ব্যবহার শুরু করেছে, আশা করছি আস্তে আস্তে সকল জেলে বড় ফাঁসের জাল ব্যবহার করবে। বড় ফাঁসের জাল ব্যবহারের ফলে মৎস্য সম্পদ উৎপাদন বাড়বে এবং ছোট থেকে বড় সকল জেলে এর সুফল ভোগ করতে পারবে বলে আশা করছি। এ সকল অভিযানের ফলে ইতিমধ্যে মাছের উৎপাদন বাড়াতে প্রশাসনের এমন তৎপরতাকে ইতিবাচক মনে করছেন সাধারণ মৎস্যজীবীরা।

নিষিদ্ধ জালমুক্ত করার পাশাপাশি নদীকে অবৈধ দখলদারমুক্ত করতেও অভিযান অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোল্লা এমদাদুল্যাহ।

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির তজুমদ্দিন উপজেলার সদস্য আবু মাঝি জানান, নদীতে মাছের উৎপাদন বাড়াতে এ অভিযান গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ইলিশ রক্ষায় অধিক ভূমিকা রাখছে। ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়ায় ইলিশ সম্পদ বাড়ার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন আমাদের মৎস্য স্যার। স্যার আমাদের বড় ফাঁসের জাল ব্যবহার করতে বলেছে, তার কথামতো আমরা বড় ফাঁসের জাল ব্যবহার করছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ

ক্যাটাগরি