• শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বোরহানউদ্দিনে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, শ্বশুর-শাশুড়ির বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ ভোলায় নদীর তীব্র ভাঙ্গনে ভিটেমাটি হারানোর হাহাকারে হারিয়ে গেছে ঈদের আনন্দ, ব্লকের দাবিতে মানববন্ধন ছাত্রদলের প্রতিটি নেতাকর্মী আমার প্রাণ,আমি তাদেরকে সন্তানের মতো ভালোবাসি:মাফরুজা সুলতানা মনপুরায় আব্দুল মান্নান হাওলাদারের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন বোরহানউদ্দিন উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির পক্ষ থেকে জেলা পরিষদ প্রশাসককে শুভেচ্ছা জানালেন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মেহেন্দিগঞ্জ পৌর মেয়র নির্বাচনে আলোচনায় রয়েছেন বিএনপির একাধিক প্রার্থী। মেহেন্দিগঞ্জে দরিদ্র মানুষের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে নগদ টাকা বিতরণ। ঈদ উপলক্ষে ভোলার ইলিশাঘাট থেকে যাত্রীদের সুবিধাতে ফ্রি বাস সার্ভিস দিয়েছে জেলা পুলিশ। যত প্রতিশ্রুতি দিয়েছি সব বাস্তবায়ন করবো- প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান এমপি। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও চেয়ারম্যানদের সাথে প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান এমপি’র মতবিনিময় সভা।

বোরহানউদ্দিনে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, শ্বশুর-শাশুড়ির বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ

NEWS ROOM / ৬ বার ভিউ
আপডেট : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬

ইউসুফ হোসেন অনিক, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট:
‎ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার বড়মানিকা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে হ্যাঁপি আক্তার (২৫) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

‎বুধবার (০১ এপ্রিল) দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে মানিকারহাট বাজার সংলগ্ন রাড়ি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

‎নিহত হ্যাঁপি আক্তার বোরহানউদ্দিন পৌর এলাকার ৭নং ওয়ার্ডের আব্দুল মালেকের মেয়ে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় চার বছর আগে বড়মানিকা ২নং ওয়ার্ডের রাড়ি বাড়ির শাহজাহানের ছেলে লিমনের সঙ্গে পারিবারিকভাবে তার বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের দুই বছর বয়সী একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।

‎পরিবারের সদস্যরা জানান, স্বামী লিমন ঢাকায় একটি ঔষধ কোম্পানিতে চাকরি করেন এবং স্ত্রী হ্যাপিকে নিয়ে বাবু বাজার কদমতলী এলাকায় বসবাস করতেন। সম্প্রতি ঈদ উপলক্ষে তারা গ্রামের বাড়িতে আসেন। ঈদের ছুটি শেষে লিমন ঢাকায় ফিরে গেলেও হ্যাঁপি তার শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে স্বামীর বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। আগামীকাল বৃহস্পতিবার তার স্বামীর কাছে ঢাকায় যাওয়ার কথা ছিল।

‎এরই মধ্যে বুধবার হ্যাপির ঝুলন্ত মরদেহ তার শশুর বাড়ির শয়নকক্ষ থেকে উদ্ধার করা হয়। তবে এই মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসেবে মানতে নারাজ নিহতের পরিবার।

‎হ্যাঁপির বাবা আব্দুল মালেক অভিযোগ করে বলেন, “আমার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তার শ্বশুর-শাশুড়ি দীর্ঘদিন ধরে তাকে নির্যাতন করত। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।”
‎অন্যদিকে স্থানীয়দের মধ্যে ঘটনাটি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ এটিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করছেন, আবার কেউ পারিবারিক কলহের জেরে হত্যাকাণ্ডের আশঙ্কা করছেন।

‎এ বিষয়ে বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল তৈরি করে। এ বিষয়ে একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ভোলা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করা হবে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও পরিবারের অভিযোগ গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।
‎তিনি আরও জানান, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

‎হ্যাঁপির মৃত্যুর ঘটনায় তার বাবার বাড়ির এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুই বছরের শিশু সন্তানকে রেখে হ্যাঁপি আক্তারের এমন মর্মান্তিক মৃত্যু পাড়া প্রতিবেশীদের মাঝে গভীর বেদনার সৃষ্টি করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ

ক্যাটাগরি