ভোলার দৌলতখান উপজেলার মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্রী কে মারধোর।
মোঃ নাজিম উদ্দীন ভোলা প্রকাশঃ
ভোলার দৌলতখান উপজেলার মদনপুর ইউনিয়ন এর ৯ নং ওয়ার্ডের হিরনের মেয়ে রোজিনা আক্তার এ কই এলাকার মনির হুজুরের মাদ্রাসায় পড়াতে দিলে দীর্ঘদিন যাবত ধরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আমার মেয়েকে বিভিন্ন অজুহাতে মারধর করে। এই বিষয়টি আমি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কে জানলে তারা জানান তুমি বিষয়টি ভালোমতো তদন্ত করে দেখো আসলে তোমার মেয়ে কি মাদ্রাসায় পড়ালেখা নিয়ে সমস্যা আছে কিনা। বিষয়টি আমার মাথায় ঢুকলো দেখলাম অন্যান্য ছাত্রছাত্রীদেরকে ঠিকঠাকমতো পড়াচ্ছে আর আমার মেয়েটা মাদ্রাসার এক কোনায় বসে আছে, আমি মনির হুজুর কে জিজ্ঞেস করলাম বিষয়টা কি মনের হুজুর আমাকে উত্তেজিত কন্ঠে বলেন তোমার মেয়ে তো ঠিকমত পড়া দিতে পারতেছে না, এজন্য কোনায় বসে আছে পরে আমার নিজের কাছে খারাপ লাগলো বিষয়টি রোজিনা বাসায় আসার পরে আমি তাকে জিজ্ঞেস করি তুমি মাদ্রাসায় ঠিকমত পড়া দিতে পারো না রোজিনা আমাকে কান্নায় কন্ঠে বলে বাবা আমি ঠিকমত পড়া দিতে পারি মনির হুজুর আমার পড়া ঠিকমতো নিচ্ছে না।
ঠিক কয়েকদিন যাওয়ার পরে হঠাৎ ২৩/১১/ ২০২২ ইং তারিখে আমার মেয়ে রোজিনা কানতে কানতে বাড়িতে আসলো তখন আমি জিজ্ঞেস করলাম কি হয়েছে রোজিনা কানতে কানতে বলল বাবা, আমার ভাই ইসমাইল এবং আমাকে মনির হুজুরে মারধর করেছে এই দেখো আমার গায়ে দাগ, তখন আমি জিজ্ঞেস করতে গেলে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বলেন এটা নিয়ে বুঝতে হবে এক পর্যায়ে ২৫ ১১ ২০২২ ইন বিকাল ৪ টা ৩০ মিনিটের সময় এলাকায় বসা বসি হয় এক পর্যায়ে কথা কাটাকাটি করে মনির হুজুর ও তার ভাই ইউসুফ, ইব্রাহিম, তুহিন মিজান আলাউদ্দিন জাফর সোহেল ও আরো বেশ কয়েকজন মিলে আমাদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে টেরা বগি দাও চাইনিজ কুড়াল ও রড দিয়ে মারতে শুরু করে, এর ওই ধারাবাহিকতায় আমি সহ ও জামাল ,হিরন,তরিক মাঝি, মোহিন, সোহেল মাঝি,নিজাম মাঝি,তাছনুর মোতিন নাজিম, ফারুক সহ বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়, মারধরের সময় আমার স্ত্রীর গলায় থাকা দশানা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন ও কানের দুল ছিনিয়ে নিয়ে যায়, আমাদের ডাক চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ছুটে আসলে আমাদেরকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে, আমাদের ভিতরে খুব দ্রুত অবস্থা তরিক মাঝির তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল সদর হাসপাতাল রেফার করে তার অবস্থা খারাপ দেখে বরিশাল হাসপাতাল থেকে ঢাকা রেফার করা হয় বর্তমানে তার অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক সে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে,বলে জানা যায়। এ বিষয়ে আমি দৌলতখান থানায় একটি এজাহার করি।
মারধরের বিষয় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে যোগাযোগ করলে তারা জানান তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ মার ধরে ঘটনাটি ঘটেছে বিষয়টি খুব নেক কার জনক বলে মনে হয়। ইউসুফ সহ কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিরা রোগীদেরকে আনার জন্য নৌকাতে উঠালে শেখানো বাধা প্রদান করে এবং মারধর করে নৌকাটি আটকে রাখে নৌকায় থাকা ডিজেল সহ সবকিছু ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
অভিযুক্ত মনির হুজুরের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান আমরা মার ধরের বিষয় ফয়সালা করার জন্য বসার সময় কথা কাটাকাটি করে দুপক্ষের ভিতর এ মারধরের ঘটনাটি ঘটেছে, এতে আমাদের বেশ কয়েকজন আহত এবং যখম হয়েছে আমি চাই মারধরের বিষয়টি সঠিক তদন্ত করে ফয়সালা করার দাবি।