• শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০২:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বাংলাবাজার ফাতেমা খানম কলেজে ডিগ্রি (পাস) ১ম বর্ষে ভর্তি চলছে বেগম খালেদা জিয়া: গৃহবধূ থেকে ‘আপসহীন নেত্রী’—এক দীর্ঘ রাজনৈতিক অধ্যায় টেকসই বেড়িবাঁধের অভাবে ভোলায় প্রতিবছর গৃহহারা হাজারো মানুষ ১৫ আগস্ট: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ ভোলা–ঢাকা এমভি দোয়েল পাখি-৮ লঞ্চে যাত্রীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ ভোলায় জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির নতুন কমিটি গঠন সভাপতি আমিন খান,সাধারণ সম্পাদক বাচ্চু মোল্লা মনপুরায় রাতভর কোস্ট গার্ডের অভিযান, ‘স্বপন বাহিনী’র দুই সহযোগী আটক বৈরি আবহাওয়ায় তুলাতলী মেঘনা পাড়ে শিক্ষার্থীদের আড্ডা নদীর পাড়ে ঘোরাঘুরি—নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন! মিয়ানমারে পাচারের আগেই ২৯৩ বস্তা সার জব্দ,আটক ৪ / চরফ্যাশনে ভোররাতের অভিযানে ট্রাক ও ফিশিং বোট জব্দ;নৌপথে পণ্য পাচার নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন! ভোলায় ৮০০ গ্রাম ওজনের নবজাতক,নিবিড় পরিচর্যায় চিকিৎসকদের তৎপরতা!

বেগম খালেদা জিয়া: গৃহবধূ থেকে ‘আপসহীন নেত্রী’—এক দীর্ঘ রাজনৈতিক অধ্যায়

NEWS ROOM / ৮ বার ভিউ
আপডেট : শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬

ভোলা প্রকাশ: বাংলাদেশের রাজনীতির দীর্ঘ পথচলায় বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন অন্যতম আলোচিত ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। গৃহবধূ হিসেবে জীবন শুরু করে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপির চেয়ারপারসন হওয়া—তাঁর রাজনৈতিক জীবন নানা উত্থান-পতন, আন্দোলন, কারাবরণ ও রাজনৈতিক সংকটে পরিপূর্ণ।

১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট জলপাইগুড়িতে জন্ম নেওয়া খালেদা জিয়ার শৈশব ও শিক্ষাজীবনের বড় অংশ কেটেছে দিনাজপুরে। ১৯৬০ সালে দিনাজপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন তিনি। ১৯৬০ সালের ৫ আগস্ট তৎকালীন সেনাবাহিনীর তরুণ কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়।

স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় দুই সন্তানকে নিয়ে কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয় তাঁকে। ১৯৭১ সালের জুলাইয়ে তাঁকে দুই সন্তানসহ আটক করা হয় এবং মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যন্ত তিনি সেনা হেফাজতে ছিলেন।

১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর রাজনীতিতে তাঁর প্রবেশ ঘটে। ১৯৮২ সালে বিএনপিতে যোগ দিয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বে উঠে আসেন। ১৯৮৪ সালে তিনি বিএনপির চেয়ারপারসনের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

এরপর সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৯০ সালের গণআন্দোলনের মাধ্যমে এরশাদ সরকারের পতনের পর ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি বিজয়ী হলে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন খালেদা জিয়া। পরবর্তী সময়ে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালেও তিনি সরকারপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন।

তাঁর রাজনৈতিক জীবনের পাশাপাশি বিতর্ক ও সংকটও ছিল দীর্ঘ। ২০০৭ সালে গ্রেফতার, কারাবাস, ২০১৮ সালে দুর্নীতি মামলায় সাজা এবং পরবর্তী সময়ে অসুস্থতার কারণে চিকিৎসা—সব মিলিয়ে দীর্ঘ সময় রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে যেতে হয় তাঁকে।

২০২০ সালে নির্বাহী আদেশে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি পাওয়ার পর দীর্ঘদিন তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তাঁর মুক্তি সম্পূর্ণ হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিএনপির নেতাকর্মীদের কাছে খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের আন্দোলনের প্রতীক এবং ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে পরিচিত। তাঁর রাজনৈতিক জীবন বাংলাদেশের রাজনীতির গতিপথে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে রয়েছে।

আজ ১৫ আগস্ট তাঁর জন্মদিনে বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা নানা কর্মসূচির মাধ্যমে তাঁকে স্মরণ করছেন। একই সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন নিয়ে চলছে আলোচনা ও মূল্যায়ন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ

ক্যাটাগরি