আরিফুর রহমান ঝন্টু ,দশমিনা (পটুয়াখালী)প্রতিনিধি।
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বেতাগী-ভাংরা সংযোগ সেতুটি এখন মৃত্যু ফাঁদে রুপান্তরিত হয়েছে।বন্ধ হয়ে গেছে মানুষসহ স্থানীয় যানবাহন চলাচল। সেতুটির এমনই ভগ্নদশা, যে কোন সময় ধষে পরে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। এটি দশমিনা-বাউফলের অন্যতম সংযোগ সেতু হওয়াতে ওই এলাকার জন সাধারনের কাছে অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ সেতু। সেতুটির পশ্চিম দিকে রয়েছে দশমিনা উপজেলার বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের বেতাগী গ্রাম। আর পূর্ব দিকে রয়েছে বাউফল উপজেলার নওমালা ইউনিয়নের ভাংরা গ্রাম। ৩২ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৩ মিটার প্রস্তরে এই সেতুটি ওই দুই ইউনিয়নের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম। প্রতিদিন স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীসহ কয়েক হাজার মানুষ এই সেতু দিয়ে যাতায়াত করে। কংক্রিটের ঢালাইয়ে নির্মিত সেতুটির বিভিন্ন স্থানের ঢালাই ধসে গিয়ে রডের জালি বেরিয়ে গিয়ে মানুষের পায়ে হেটে চলাচল করাও বন্ধ হয়ে গেছে। ভেংয়ে পরেছে বিভিন্ন অংশের দুই পাসের রেলিং। দুই পাশের সংযোগ সড়কের অবস্থাও প্রচন্ড খারাপ। র্দীঘদিন যাবত মেরামত না হওয়ায় সংযোগ সড়কের মাটি ব্রিজের থেকে এক দেড় ফুট নিচে দেবে গেছে । এ ব্যাপারে বেতাগী সানকীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মশিউর রহমান ঝন্টু বলেন, বাউফলের নওমালা ও মধ্যবর্তী দশমিনা উপজেলার স্বর্ন মাধবার বাড়ির পশ্চিম পাশে বেতাগী খালের উপর ব্রিজটি খুবই অত্যান্ত নাজুক অবস্থা তাই স্কুল শিক্ষার্থী ও জনসাধারনের চলাচলের ভোগান্তি থেকে মুক্তি পেতে গুরুত্বপূর্ণ ব্রীজটি দ্রুত নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ করছি । এবিষয়ে দশমিনা উপজেলা প্রকৌশলি এলজিইডি মোঃ মকবুল হোসেন বলেন, ব্রিজটির জন্য উপর মহলে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।
মোঃ আরিফুর রহমান ঝন্টু
দশমিনা প্রতিনিধি
মোবাঃ ০১৭৪১৭৮৮০৩০
তারিখ ২৮-৪-২৩ ইং