• শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও চেয়ারম্যানদের সাথে প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান এমপি’র মতবিনিময় সভা। মেহেন্দিগঞ্জ সমাজসেবা অধিদপ্তরের উদ্যোগে হুইল চেয়ার ও চেক বিতরণ। এক নজরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্পিকার মেজর – অবঃ হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ১১৭ ভোলা -৩। চরফ্যাশনে ফ্যামিলি কার্ড পেলো ২৮৮টি পরিবার স্বাস্থ্য সেক্টর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে আহবান প্রতিমন্ত্রীর বোরহানউদ্দিনে ভূমিদস্যদের অত্যাচার থেকে বাঁচতে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন বোরহানউদ্দিনে তেতুলিয়ায় অবৈধ বালু উত্তোলন করায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করে ছেড়ে দিল ড্রেজার। ছাড়া পেয়েই ফের বালু উত্তোলন শুরু বোরহানউদ্দিনে প্রতিবেশীকে ফাসাতে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি মেহেন্দিগঞ্জে সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন মাননীয় প্রতিমন্ত্রী,জননন্দিত নেতা রাজিব আহসান এমপি। ভোলায় ধর্ষণের শিকার প্রতিবন্ধী হিন্দু নারীর পরিবারের পাশে ঢাকার সংগঠনগুলোর সহায়তা

তজুমদ্দিনে প্রবাসীর স্ত্রী স্বর্ণ ও টাকা নিয়ে প্রেমিকের হাতধরে উধাও এর অভিযোগ

NEWS ROOM / ১৫০ বার ভিউ
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২২

তজুমদ্দিনে প্রবাসীর স্ত্রী স্বর্ণ ও টাকা নিয়ে প্রেমিকের হাতধরে উধাও এর অভিযোগ
ভোলা প্রতিনিধি:
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার শম্ভুপুর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের শিবপুর গ্রামের প্রবাসী এরশাদের স্ত্রী রেহানা বেগমের বিরুদ্ধে ৪ ভড়ি স্বর্ণ ও নগদ ৮ লক্ষ টাকা নিয়ে ননদের স্বামী আবুল কাশেম ওরফে রানার সাথে উধাও হয়ে গেছে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ১০ অক্টোবর স্বর্ণ ও টাকাসহ তিনি উধাও হয়ে গেছে বলে জানা যায়। পরে বিদেশ প্রবাসী এরশাদকে ডিভোর্স দিয়ে ননদের স্বামী আবুল কাশেম ওরফে রানাকে বিবাহ করেন রেহানা বেগম। তার স্বামী বিদেশ প্রবাসী হওয়ায় ননদের স্বামীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে ।
পরে তার ননদকে ডিভোর্স দিয়ে শ্যালকের স্ত্রীকে বিবাহ করেন আবুল কাশেম রানা।
আবুল কাশেম রানার বাড়ি লালমোহন উপজেলার কালমা ইউনিয়নে। এঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
তবে আবুল কাশেম রানার বিচার দাবি করছেন শ্যালক এরশাদ।
ভুক্তভোগী এরশাদ অভিযোগ করে বলেন ,আমি দির্ঘ ৮ বছর যাবত বিদেশ প্রবাসী।
আমার বিবাহের বয়স প্রায় ৭ বছর। আমি প্রবাস থাকায় আমার বোনজামাই আবুল কাশেম রানার সাথে আমার স্ত্রীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
পরে আমার বোনকে ডিভোর্স দেয় আবুল কাশেম রানা।
তার কিছুদিন পরেই আমার ৪ ভড়ি স্বর্ণ ও নগদ ৮ লক্ষ টাকাসহ আমার স্ত্রীকে নিয়ে উধাও হয় তিনি। পরে আমার স্ত্রীকে বিবাহ করেন আমার বোনজামাই আবুল কাশেম রানা।
অন্যদিকে অভিযুক্ত আবুল কাশেম রানা ও রেহানা পালাতক থাকায় তাদের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
তজুমদ্দিন উপজেলার শম্ভুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ রাসেল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ

ক্যাটাগরি