• বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ভোলা শহরের প্রধান সড়কে অসংখ্য অটোরিকশার কারণে প্রতিদিনই সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট; দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ। ভোলার এক সময়ের কোলাহলময় খেয়াঘাট এখন সুনশান নীরব। লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকায় দিন দিন হারাচ্ছে তার ঐতিহ্য ও অস্তিত্ব। লালমোহনে খালখনন প্রকল্পের এলাকায় জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত সংস্কারের অভাবে জীর্ণ দশায় বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাস টার্মিনাল। নতুন করে নির্মাণের ঘোষণা থাকলেও বাস্তবায়নের দেখা নেই। ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইনে স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছে ওয়ালটন প্লাজা গ্রামীণ জনপদের একমাত্র ভরসা ভোলা সদরের ভেলুমিয়া ১০ শয্যার হাসপাতাল। লালমোহনে ব্রিজ ধসের ট্র্যাজেডি: ট্রাকচালক “নি”হ”ত, হেলপার আহত ভোলার বাজারে ক্রেতা কম সাগর-নদীতে ইলিশ সংকট, বাজারে চড়া দাম। অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর দক্ষতা উন্নয়নে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ আধুনিকতার ছোঁয়ায় অবহেলিত ডাকবাক্স, চিঠি কেন আসে না?

ঝুপড়ি ঘরে ঢেকে যাচ্ছে সাগর কন্যা কুয়াকাটার সৌন্দর্য

NEWS ROOM / ১৫৬ বার ভিউ
আপডেট : বুধবার, ৯ জুলাই, ২০২৫

 

রিপন সাব্বির কুয়াকাটা প্রতিনিধি।

অপরিকল্পিত ঝুপড়ি ঘরের কারণে দিন দিন কুয়াকাটা সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য হারিয়ে যাচ্ছে। দেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র সাগর কন্যা কুয়াকাটা। সৈকতের লাগোয়া বেরিবাঁধ সংলগ্ন রক্ষা বাঁধের উপরে গড়ে উঠেছে শত শত ঝুপড়ি ঘর, যেগুলো অনিয়ন্ত্রিতভাবে গড়ে ওঠায় যেমন পর্যটকদের দৃষ্টিকটু লাগে, তেমনি সৌন্দর্যও নষ্ট করছে এই প্রাকৃতিক দর্শনীয় স্থানটির।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, সাগরপাড়ের সুরক্ষা বাঁধের উপর ছোট ছোট বেশ কয়েকটি ঘর তৈরি করা হয়। পরবর্তীতে সামনের অংশে টিনের ছাউনি যুক্ত করে সেটিকে বড় আকারে বিস্তৃত করা হয়। বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। বিভিন্ন সামগ্রী বিক্রির ছোট ছোট দোকান, চা-স্টল, ফাস্টফুড কর্নারসহ নানা রকমের অস্থায়ী কাঠামো।

এ বিষয়ে দিনাজপুর থেকে আসা মাহমুদুল হাসান রনি বলেন, ‘এত সুন্দর একটা বেড়িবাঁধ যেটাকে অসুন্দর করেছে ছোট ছোট দোকানগুলি। এখানে বসে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করা যেত। এখন সম্ভব নয়। এমন অপরিকল্পিত অবকাঠামো সৌন্দর্য নষ্ট করছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা।’

স্থানীয় সাংবাদিক কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হোসাইন আমির বলেন, ‘এই ঝুপড়ি ঘরগুলো পরিকল্পনাহীনভাবে গড়ে উঠছে। এতে কুয়াকাটার সার্বিক সৌন্দর্য যেমন ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি পর্যটকদের জন্য পরিবেশটাও অনুপযুক্ত হয়ে পড়ছে। যদি এসব ব্যবসায়ীকে নির্দিষ্ট কোনো স্থানে পুনর্বিন্যাস করে ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হয়, তাহলে সাগরের পরিবেশ রক্ষা পাবে।’

স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এই ঝুপড়ি ঘরগুলো অনেক সময় রাজনৈতিক বা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ছত্রছায়ায় গড়ে ওঠে, যার ফলে সরিয়ে দিতে বা উচ্ছেদ করতে দেরি হয় বা বাধার সম্মুখীন হতে হয়। ফলে পর্যটনবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার প্রয়াসও মাঝপথে থেমে যায়।

এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার রবিউল ইসলাম বলেন, ‘কুয়াকাটা এলাকার খাস জমি উদ্ধারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাননীয় ভূমি উপদেষ্টা স্যার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের সাথে পরামর্শ করে অতি শীঘ্রই অভিযান পরিচালনা করা হবে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ

ক্যাটাগরি