গ্লোবাল ইয়ুথ লিডারশিপ এ্যাওয়ার্ড পেলেন ভোলার ছেলে শাফায়াত হোসেন সিয়াম।
ভোলা প্রতিনিধি।।
গ্লোবাল ইয়ুথ লিডারশিপ এ্যাওয়ার্ড ২০২৩ এর জন্য নির্বাচিত হলেন ভোলার ছেলে এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ শাফায়াত হোসেন (সিয়াম)।
বিশ্বের ১০০ টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত গ্লোবাল ইয়ুথ পার্লামেন্টের প্রেসিডেন্ট স্বাক্ষরিত চিঠিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
গ্লোবাল ইয়ুথ লিডারশীপ অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত মোঃ শাফায়াত হোসেন (সিয়াম) এর বাবা মোঃ শরাফত হোসেন (শাহিন) ভোলা নৈশ ও দিবা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং মা কামরুন নাহার (মুক্তা) ৩৫নং পশ্চিম চরনোয়াবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক। তিন ভাই-বোনের মধ্যে শাফায়াত হোসেন সিয়াম তার পিতা-মাতার বড় সন্তান। তার এই অর্জনে তার পরিবারে ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আনন্দের বন্যা বইছে।
মোঃ শাফায়াত হোসেন (সিয়াম) আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে তিনি সফল যুব সংগঠক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমের সাথে তার ছোটবেলা থেকেই যুক্ত রয়েছেন। করোনাকালীন সময় সহ সবসময় সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের পাশে দাড়িয়েছেন শাফায়াত সিয়াম।
মেধাবী শিক্ষার্থী শাফায়াত হোসেন সিয়াম ২০১৯ সালে ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে এবং ২০২১ সালের এইচএসসি পরীক্ষায়ও ভোলা সরকারি কলেজ থেকে জিপিএ ৫ পেয়ে বর্তমানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে অধ্যয়নরত রয়েছে।
এবছর গ্লোবাল ইয়ুথ লিডারশীপ অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত হয়ে মোঃ শাফায়াত হোসেন (সিয়াম) বলেন, আমি প্রথমেই মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমি অনেক আনন্দিত এবং আমি গর্ববোধ করছি কারন, আন্তর্জাতিক একটি ফোরামে আমি আমাদের নিজের দেশকে রিপ্রেজেন্ট করতে যাচ্ছি। এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আমাকে ভবিষ্যতে অনুপ্রেরণা যোগাবে। যুব সংগঠক হিসেবে সমাজের মানুষের জন্য কাজ করে যাবেন বলেও জানান তিনি।
শাফায়াতের পিতা শরাফত হোসেন ও মাতা কামরুন নাহার তাদের সন্তানের এই অর্জনে আনন্দ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতের জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন।
শিক্ষকরা জানান, শাফায়াত হোসেন অনেক ভালো এবং ভদ্র ছেলে। সে পড়াশোনার পাশাপাশি এই সহশিক্ষা কার্যক্রমে সবসময় নিজেকে যুক্ত রাখায় এবং এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও অ্যাওয়ার্ড পাওয়ায় তারা গর্বিত।