• শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও চেয়ারম্যানদের সাথে প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান এমপি’র মতবিনিময় সভা। মেহেন্দিগঞ্জ সমাজসেবা অধিদপ্তরের উদ্যোগে হুইল চেয়ার ও চেক বিতরণ। এক নজরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্পিকার মেজর – অবঃ হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ১১৭ ভোলা -৩। চরফ্যাশনে ফ্যামিলি কার্ড পেলো ২৮৮টি পরিবার স্বাস্থ্য সেক্টর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে আহবান প্রতিমন্ত্রীর বোরহানউদ্দিনে ভূমিদস্যদের অত্যাচার থেকে বাঁচতে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন বোরহানউদ্দিনে তেতুলিয়ায় অবৈধ বালু উত্তোলন করায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করে ছেড়ে দিল ড্রেজার। ছাড়া পেয়েই ফের বালু উত্তোলন শুরু বোরহানউদ্দিনে প্রতিবেশীকে ফাসাতে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি মেহেন্দিগঞ্জে সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন মাননীয় প্রতিমন্ত্রী,জননন্দিত নেতা রাজিব আহসান এমপি। ভোলায় ধর্ষণের শিকার প্রতিবন্ধী হিন্দু নারীর পরিবারের পাশে ঢাকার সংগঠনগুলোর সহায়তা

আজ ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা মোঃ হাবিবউল্লাহ’র ৩য় মৃত্যুবার্ষিকী

NEWS ROOM / ১৯২ বার ভিউ
আপডেট : বুধবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৩

স্টাফ রিপোর্টার ভোলা প্রকাশ ॥

বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ, শিক্ষা অনুরাগী, ইসলামী পুস্তক প্রনেতা, সমাজ সেবক মরহুম মাওলানা মোঃ হাবিবউল্লাহ এর আজ ৩য় মৃত্যুবার্ষিকী। ২০২০ সালের এই দিনে (১৭ই আগস্ট) ঢাকার একটি হাসপাতালে বার্ধক্যজনিত কারণে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে মরহুমের বয়স হয়েছিলো ৯০ বছর।
মরহুমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে হাজীপুর সিনিয়র মাদ্রাসা, মোবারক আলী হেফজ খানা, বাংলাদেশ সীরাত একাডেমী, ভোলা সমিতি অস্ট্রেলিয়া শাখা, সীরাত একাডেমী, সিডনি শাখা বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত এবং মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করার কথা রয়েছে। এছাড়াও যুক্তরাজ্য, স্কাটল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ার সিডনি শহরেও বিশেষ দোয়া ও মোনাজত করা হবে। মরহুমের পরিবারবর্গদের পক্ষ থেকে তার পুত্র অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী কবি হায়াত মাহমুদ সকলকে দোয়া করার জন্য স্ববিনয় অনুরোধ জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, মাওলানা মোঃ হাবিবুল্লাহ ১৯৩১ সালে দৌলতখানের হাজীপুরে জন্ম। পিতা মাওলানা আব্দুর রহিম বড় হুজুর প্রথমে হাজিপুর সিনিয়ার মাদ্রাসায় পড়াশোনা করেন। পরে ১৯৪৫ সালে কলকাতা আলিয়া মাদ্রাসায় ভর্তি হন। ’৪৭ সালে কলকাতা থেকে আলিয়া মাদ্রাসা ঢাকায় চলে আসলে তিনি ঢাকা আলিয়ার শিক্ষার্থী হয়ে যান। এখান থেকেই তিনি কামিলসহ উচ্চতর ডিগ্রী অর্জন করেন। এ সময় তিনি মাদ্রাসা ছাত্রদের সংগঠন জমিয়তে তালাবায়ে আরাবিয়ার নেতৃত্ব দেন। ফলে তখনকার মুসলিম লীগ ও পাকিস্তান আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ শেরে বাংলা একে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, খাজা নাজিমুদ্দিনসহ সকল নেতার সাথে কাজ করার সুযোগ পান। তাদের ঘনিষ্ঠ সহকর্মী হিসেবে তিনি বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড গঠন, যাকাত বোর্ড গঠন, ইসলামিক একাডেমী প্রতিষ্ঠা, ধর্ম মন্ত্রণালয় ও শুক্রবার ছুটিসহ বিভিন্ন ইসলামী কার্যক্রমে তাঁর ভূমিকা অপরিসীম। তিনি সীরাত একাডেমীর চেয়ারম্যান হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন। এই সংস্থার মাধ্যমে ধর্মীয় খেদমত করেছেন। ইসলামী সংহতি পরিষদ ও তানজিমুল ওলামা নামের আরও দু’টি সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়েছেন। ইসলামের উপর একাধিক পুস্তক লিখেছেন। ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রমের সঙ্গে সবসময় স¤পৃক্ত ছিলেন। তার চার পুত্র, দুই কন্যা সবাই স্ব-স্ব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত। ৩য় পুত্র কবি হায়াত মাহমুদ দীর্ঘদিন অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করছেন। তিনি ২০২০ সালের ১৭ আগস্ট ইন্তেকাল করেন। একজন ইসলামী চিন্তাবিদ, সংগঠক ও সামাজিক ব্যাক্তিত্ব হিসেবে তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ

ক্যাটাগরি