মো.ছিদ্দিকুর রহমান ভোলা প্রকাশ:
আজ ৮ জুলাই। বাংলাদেশের নৌ-ইতিহাসের অন্যতম মর্মান্তিক দুর্ঘটনা এমভি নাসরিন-১ ট্র্যাজেডির ২৩ বছর পূর্ণ হলো।
২০০৩ সালের এই দিনে ঢাকা থেকে ভোলার লালমোহনের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা এমভি নাসরিন-১ লঞ্চটি চাঁদপুরের মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীর মোহনায় ডুবে যায়। ধারণক্ষমতার তুলনায় অতিরিক্ত যাত্রী ও মালবোঝাই, পাশাপাশি প্রতিকূল আবহাওয়াকে দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে তদন্তে উল্লেখ করা হয়।
সরকারি হিসাবে লঞ্চটির ধারণক্ষমতা ছিল প্রায় ৪২৯ জন। তবে দুর্ঘটনার সময় এতে প্রায় ৭৫০ জন বা তারও বেশি যাত্রী ছিলেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সরকারি হিসেবে অন্তত ১১০ জনের মৃত্যু এবং প্রায় ২০০ জন নিখোঁজ হন, যদিও বেসরকারি বিভিন্ন সূত্রে হতাহতের সংখ্যা আরও বেশি বলে দাবি করা হয়।
দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও অনেক স্বজন আজও তাদের প্রিয়জনের শেষ স্মৃতি বুকে ধারণ করে আছেন। ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবার এখনও ন্যায়বিচার ও ক্ষতিপূরণের পূর্ণ বাস্তবায়নের অপেক্ষায় রয়েছে।
নাসরিন ট্র্যাজেডি শুধু একটি দুর্ঘটনা নয়, এটি বাংলাদেশের নৌপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার এক বেদনাদায়ক স্মারক। এই দিনে নিহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের আত্মার শান্তি কামনা করছেন স্বজন ও দেশবাসী।