শিরোনাম
ভোলায় দুর্গোৎসবের নিরাপত্তায় মাঠে পুলিশ সুপার,তিন থানার পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শান্তিপূর্ণ উদ্‌যাপন ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান,নিরাপত্তায় জেলা পুলিশের নিয়মিত তদারকি। লালমোহনে দুর্গাপূজার মণ্ডপে স্পিকার, পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসক, মদন মোহন জিউ মন্দির পরিদর্শন,সম্প্রীতি ও নিরাপদে উৎসব উদ্‌যাপনের আহ্বান।  আজ রাতে গানে গানে মাতবে ওয়েস্টার্নপাড়া শতদল বিকাশ ক্লাব মাঠে জমবে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। মহাঅষ্টমীতে চরফ্যাশন বাজারের সব স্বর্ণের দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত ঢাকের বাদ্য আর ভক্তির আবেশে মহাসপ্তমী,মণ্ডপে মণ্ডপে প্রার্থনা মেঘনায় মা ইলিশ নিধনের ভিডিও করতেই হামলা? অভিযুক্ত কামালসহ কয়েকজন বোরহানউদ্দিনে দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে এমপি হাফিজ ইব্রাহিমের শাড়ি বিতরণ ভোলায় দুর্গোৎসবের নিরাপত্তায় মাঠে ডিসি-এসপি, পরিদর্শন বিভিন্ন পূজামণ্ডপ সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্‌যাপনে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে সম্প্রীতি, দেশটা সবার: প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান মেহেন্দিগঞ্জে মন্দিরে মন্দিরে বস্ত্র বিতরণ,সহাবস্থানের বার্তা ১৭ বছরের প্রবাসজীবনের উপার্জনে গড়া বাড়িতেই ঠাঁই নেই মোসারেফের! সম্পদের হিসাব ও বিয়েকে কেন্দ্র করে পারিবারিক বিরোধ, ১৬ লাখ টাকার মামলায় দুই দিন হাজতবাসের দাবি প্রবাসফেরত ব্যক্তির

ভোলায় নারী-পুরুষকে জু.তার মালা পরিয়ে অপ.দস্তের অভিযোগ,তদন্তে পুলিশ

NEWS ROOM / ৮৫ বার ভিউ
আপডেট : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬




মো.ছিদ্দিকুর রহমান সোহেলঃ

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় এক নারী ও এক পুরুষকে ‘আপত্তিকর অবস্থায়’ আটকের দাবি তুলে প্রকাশ্যে জুতার মালা পরিয়ে অপদস্ত করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) সকালে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সোনাপুর সরকারি আবাসন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, আবাসনের বাসিন্দা নুরে আলম ও তাসলিমা বেগমকে কয়েকজন স্থানীয় যুবক ‘আপত্তিকর অবস্থায়’ আটক করার দাবি করেন। পরে তাদের গলায় জুতার মালা পরিয়ে জনসমক্ষে হেনস্তা করা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এমন কাজ করবেন না—এ মর্মে তওবা করিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

তবে এ ঘটনার বিষয়ে ভিন্ন দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা। তাদের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে তাদের ফাঁসিয়ে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করা হয়েছে। কোনো ধরনের অপরাধ না করলেও জনসমক্ষে জুতার মালা পরিয়ে তাদের সম্মানহানি করা হয়েছে বলে দাবি করেন তারা।

ভুক্তভোগীরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে সেটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোই উচিত ছিল। জনসমক্ষে কাউকে অপদস্ত করা, জুতার মালা পরানো বা শাস্তি দেওয়া আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার শামিল।

তাদের ভাষ্য, কোনো ব্যক্তি অপরাধ করেছেন কি না, তা নির্ধারণ এবং বিচার করার দায়িত্ব আদালতের। তাই নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

এ বিষয়ে তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তিনি দেখেছেন। ভিডিওটি দেখার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে একটি টিম পাঠিয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ

ক্যাটাগরি