• বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বিশ্ব শিক্ষক দিবস:মনপুরার বসির আহাম্মেদ যেভাবে হলেন পুরো উপজেলার ‘বসির মাস্টার’ ছয় বছর আত্মগোপনে থেকেও শেষ রক্ষা হলো না,ভোলায় যাবজ্জীবন সাজা/প্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার। ভোলায় ৪০ পিস ইয়াবাসহ দুইজন আটক,পৃথক দুটি মামলা শেষ রজনীতে মহামায়ার বিদায়ী বার্তা—‘আবার ফিরবো,সমাজের বিভাজনকে চ্যালেঞ্জ করবো’ ভেলুমিয়ার বাঁধের পাড়ে ভোলায় চালু হচ্ছে কায়াকিং পয়েন্ট ভোলায় অনলাইন জুয়া চক্রের সদস্য গ্রেপ্তার, সতর্ক করল পুলিশ ভোলায় বৃদ্ধ বাবাকে গলায় চাপ দিয়ে হত্যা’চেষ্টার অভিযোগ, ছেলে গ্রেপ্তার বোরহানউদ্দিনে জমি দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ বোরহানউদ্দিনে ইয়াবাসহ গ্রেফতার এক,২০ পিস ইয়াবা,নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন উদ্ধার দৌলতখানের চাঞ্চল্যকর হ’ত্যা মামলায় গ্রেফতার ২

ভোলায় মৎস্যসম্পদ রক্ষায় মোল্লা এমদাদুল্যাহ’র বিশেষ কম্বিং অপারেশন।

NEWS ROOM / ১৭৯ বার ভিউ
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৩




আশিকুর রহমান শান্ত ভোলা প্রতিনিধিঃ

মৎস্যসম্পদ ধ্বংসকারী অবৈধজাল নির্মূল, জাটকা ও ছোট মাছ সংরক্ষণে ভোলার মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীতে গত ৪ জানুয়ারি শুরু হয়েছিল বিশেষ কম্বিং অপারেশন। তার‌‌ই ধারাবাহিকতায় সোমবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল ৭টা থেকে ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোল্লা এমদাদুল্লাহ’র নেতৃত্বে দিনব্যাপ মেঘনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে এ বিশেষ কম্বিং অপারেশন পরিচালনা করা হয়।

চার ই জানুয়ারি থেকে শুরু হ‌ওয়া এ অভিযান চলবে ২ মাস ব্যাপী । দীর্ঘই দুই মাস ব্যাপী মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদী থেকে নিষিদ্ধ জাল মুক্ত করতে যৌথ অভিযান পরিচালনা করছে স্থানীয় প্রশাসন ও জেলা মৎস্য বিভাগ। এর মাধ্যমে ইলিশ সহ সকল প্রজাতির মাছের উৎপাদন বাড়বে আর জেলেদের ভাগ্যের উন্নয়ন হবে বলে মনে করছেন ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোল্লা এমদাদুল্লাহ।

মৎস্য কর্মকর্তা মোল্লা এমদাদুল্লাহ আরো জানান, উপকূলের নদ-নদীর মাছ ধংসকারী নিষিদ্ধ বেহুন্দী জাল, খুটি জাল, কারেন্ট জাল, মশারি জাল, পাই জালসহ অবৈধ জাল অপসারণে ৪ জানুয়ারি থেকে ভোলায় ‘বিশেষ কম্বিং’ অপারেশন শুরু করেছি আমরা।
মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীতে চার ধাপে এ অপারেশন চলবে আগামী ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত। একইসঙ্গে গেল নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া জাটকা সংরক্ষণ অভিযান অব্যাহত আছে। নির্দেশনা অনুযায়ী নদী থেকে অবৈধ জালমুক্ত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ যৌথভাবে অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে জেলে ও ব্যবসায়ীদের সর্তক করা হচ্ছে। অভিযানের প্রথম দিন থেকে আজ পর্যন্ত নদীর মধ্যে পুঁতে রাখা খুঁটি ও নিষিদ্ধ জাল অপসারণ করে চলছি আমরা। বিশেষ করে ছোট ফাঁসের জাল যেন নদীতে ফেলতে না পারে সেদিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আমরা জেলেদেরকে বড় ফাঁসের জাল ব্যবহারের জন্য উদ্বুদ্ধ করছি। ইতিমধ্যে জেলেরা আমার কথা মেনে নিয়ে আমার পরামর্শ অনুযায়ী বড় ফাঁসের জালের ব্যবহার শুরু করেছে, আশা করছি আস্তে আস্তে সকল জেলে বড় ফাঁসের জাল ব্যবহার করবে। বড় ফাঁসের জাল ব্যবহারের ফলে মৎস্য সম্পদ উৎপাদন বাড়বে এবং ছোট থেকে বড় সকল জেলে এর সুফল ভোগ করতে পারবে বলে আশা করছি। এ সকল অভিযানের ফলে ইতিমধ্যে মাছের উৎপাদন বাড়াতে প্রশাসনের এমন তৎপরতাকে ইতিবাচক মনে করছেন সাধারণ মৎস্যজীবীরা।

নিষিদ্ধ জালমুক্ত করার পাশাপাশি নদীকে অবৈধ দখলদারমুক্ত করতেও অভিযান অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোল্লা এমদাদুল্যাহ।

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির তজুমদ্দিন উপজেলার সদস্য আবু মাঝি জানান, নদীতে মাছের উৎপাদন বাড়াতে এ অভিযান গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ইলিশ রক্ষায় অধিক ভূমিকা রাখছে। ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়ায় ইলিশ সম্পদ বাড়ার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন আমাদের মৎস্য স্যার। স্যার আমাদের বড় ফাঁসের জাল ব্যবহার করতে বলেছে, তার কথামতো আমরা বড় ফাঁসের জাল ব্যবহার করছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ

ক্যাটাগরি