• সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বোরহানউদ্দিনে বিয়ের আগে কিশোরীর আত্মহত্যা বোরহানউদ্দিনে ইয়াবা লেনদেনের সময় পুলিশের হানা, আটক দুই সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন ভোলার পরিচিত মুখ সুশান! প্রবাসীর ৭০ লাখ টাকা ও স্বর্ণ আত্মসাত! গোপনে তালাক দিয়ে তৃতীয় বিয়ে—বোরহানউদ্দিনে তাসলিমা কাণ্ডে তোলপাড় ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, যুবক আটক অতিরিক্ত দামে পেট্রোল বিক্রি, বোরহানউদ্দিনে ব্যবসায়ীকে জরিমানা ভোলার গাছ কাটতে এসে স্কুলছাত্রীকে ধ/র্ষণ থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন! সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে: স্পিকার ‎ভোলার পোলা বলে সেতুর দাবিতে তৌসিফের সরবতা বোরহানউদ্দিনে ৭ হাজার কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ-সার বিতরণ শুরু

নিখোঁজ বাবা-ছেলের সন্ধানে চলছে দ্বিতীয় দিনের অভিযান

NEWS ROOM / ১০৭ বার ভিউ
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৪

ইব্রাহিম আকতার আকাশ,ভোলা:
ভোলার মেঘনা নদীতে মালবাহী ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ বাবা-ছেলের সন্ধানে চলছে দ্বিতীয় দিনের দ্ধার অভিযান।
মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) বেলা ১২টা থেকে বিআইডব্লিউটিএ এর ডুবুরি টিম দ্বিতীয় দিনের উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। অভিযানে বেলা ১২টা পর্যন্ত বিআইডব্লিউটিএ এর ডুবুরি টিম ব্যতীত অন্য কোনো সংস্থার ডুবুরি টিমকে দেখা যায়নি। তবে ঘটনাস্থলে নৌ-পুলিশ ও কোষ্টগার্ডের সদস্যরা উপস্থিত আছেন।
ইলিশা নৌ-থানার ইন্সপেক্টর বিদ্যুৎ কুমার বড়ুয়া ঢাকা মেইলকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, বাবা-ছেলে ও নিখোঁজ ট্রলারের সন্ধানে আজ বেলা ১২টা থেকে বিআইডব্লিউটিএ এর ডুবুরি টিম দ্বিতীয় দিনের উদ্ধার অভিযানে নামে।
ভোলা কোষ্টগার্ড দক্ষিণ জোনের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. সালাউদ্দিন ঢাকা মেইলকে জানান, মেঘনায় তীব্র স্রোত থাকার কারনে উদ্ধারকারী টিম ডুবে যাওয়া ট্রলারের অবস্থান শনাক্ত করতে পারছে না। হয়তো ট্রলারটি যে জায়গায় ডুবেছে, সে জায়গায় নাও থাকতে পারে। মেঘনার গভীরতাও বেশি। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ট্রলারটির অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে ডুবে যাওয়া ট্রলার মালিক বেসরকারি একজন ডুবুরির মাধ্যমে ট্রলারের অবস্থান শনাক্ত করেছে বলে আমাদেরকে জানিয়েছে। তবে আমরা এখনো বিষয়টি নিশ্চিত নই।
রোববার (২১ জানুয়ারি) দিনগত মধ্যরাতে মনপুরা থেকে বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া মালবাহী ট্রলারটি ইলিশার জোরখাল পয়েন্টে প্রবল ঢেউয়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়। ট্রলারটিতে ভাঙ্গারি মালামালসহ সাতজন শ্রমিক ছিলেন। তাদের মধ্যে দু’জন বাবা-ছেলে। ট্রলারটি ডুবে যাওয়ার সময় পাঁচজন শ্রমিক সাঁতরে জেলে ট্রলারের সহায়তায় উপরে উঠে আসতে পারলেও আব্দুল রাজ্জাক ও তাঁর ছেলে পারভেজ সরদার ইঞ্জিনরুমে থাকায় তাঁরা দু’জনে বেরোতে পারেনি। কয়েক মিনিটের মধ্যে ট্রলারটি ডুবে যায়। ট্রলারে থাকা সাত শ্রমিক বরিশাল মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার উলানিয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। ট্রলারটির মালিক ছিলেন- ফারুক মাঝি। ফারুক মাঝি ভাঙ্গারি মালামালের ব্যবসা করেন। তিনি বিভিন্ন জায়গা থেকে নদী পথে ট্রলারের মাধ্যমে মালামাল পরিবহন করেন। ডুবে যাওয়ার সময় তাঁর ট্রলারে প্রায় ৩ লাখ টাকার মালামাল ছিল।
ঘটনার পর সোমবার সকাল থেকে কোষ্টগার্ড ও ফায়ারসার্ভিস ও বিআইডব্লিউটিএ এর যৌথ ডুবুরি টিম উদ্ধার অভিযানে নামে। সন্ধ্যা পর্যন্ত তাঁরা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে বন্ধ রাখে। এরপর আজ সকাল থেকে দ্বিতীয় দিনের উদ্ধার অভিযান শুরু হয়।
এদিকে নিখোঁজ আব্দুল রাজ্জাক ও তাঁর ছেলে পারভেজ সরদারের নিখোঁজ হওয়ার খবরে স্বজনরা জোরখাল মেঘনা নদীর তীরে এসে জড়ো হয়। এসময় তাদেরকে আহাজারি করতে দেখা গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ

ক্যাটাগরি