• সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০২:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ভোলায় জমির জন্য অন্যকে ফাঁ/সাতে গিয়ে গৃহবধূকে হ/ত্যা, ৩ জনের মৃ/ত্যুদণ্ড! লঞ্চে অতিরিক্ত ভাড়ার প্রতিবাদে মারধরের অভিযোগ, ভোলায় প্ল্যাকার্ড হাতে দুই যুবকের অবস্থান বোরহানউদ্দিনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৭ দোকান পুড়ে ছাই ভোলার তজুমদ্দিনে বিরল প্রজাতির গুইসাপ উদ্ধার মেহেন্দিগঞ্জে ৮ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক বন্ধুর মৃত্যুতে এমপি হাফিজ ইব্রাহিমের শোক প্রকাশ ভোলায় সাড়ে ৩ ঘন্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধের নোটিশ বোরহানউদ্দিনে ইয়াবা সেবনের দায়ে যুবককে ৩ মাসের কারাদণ্ড ভোলার জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল “মাল্টিমিডিয়া ভোলা প্রকাশ”-এর স্বত্বাধিকারী ও সম্পাদক শ্রী বিজয় বাইন-কে জানাই ভোলা প্রকাশ করিবারের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। শিক্ষার মানোন্নয়নে এগিয়ে এলেন এমপি হাফিজ ইব্রাহিম

বোরহানউদ্দিনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৭ দোকান পুড়ে ছাই

NEWS ROOM / ৬ বার ভিউ
আপডেট : রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬

ইউসুফ হোসেন অনিক, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট:

‎ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার বড়মানিকা ইউনিয়নের গফুরগঞ্জ বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সাতটি দোকান পুড়ে গেছে। রবিবার (২৪ মে) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে বাজারের ২ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুনে কয়েক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোর রাতে হঠাৎ বাজারের একটি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় বাজারজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয় লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালান। পরে খবর পেয়ে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর বোরহানউদ্দিন ইউনিটের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

‎অগ্নিকাণ্ডে বেল্লাল ভ্যারাইটিজ স্টোর, নজরুল ফাস্ট ফুড, সোহেল ফার্মেসি, নিজাম খলিফার কাপড়ের দোকান, হাসান মালের হোটেল ও আহসান উল্লাহর মুদি দোকানসহ মোট সাতটি দোকানের মালামাল পুড়ে যায়। এর মধ্যে পাঁচটি দোকান সম্পূর্ণ এবং দুটি দোকান আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

‎ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী বেল্লাল জানান, প্রতিদিনের মতো শনিবার রাত ২টার দিকে দোকান বন্ধ করে তিনি বাসায় যান। ভোর রাতে আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে দেখেন পুরো দোকান আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তিনি বলেন, “দোকানে প্রায় ১০ লাখ টাকা নগদ ছিল। এছাড়া সার-কীটনাশক, বিকাশের মোবাইল সিম, গ্যাস সিলিন্ডারসহ বিভিন্ন ধরনের মুদি মালামাল ছিল। আমার প্রায় ৬০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে। কিছুই বের করতে পারিনি।”

‎অন্য ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরাও জানান, আগুনের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে দোকান থেকে কোনো মালামাল সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাওয়া যায়নি। অনেকেই দীর্ঘদিনের সঞ্চয় ও ব্যবসার মূলধন হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, দ্রুত সরকারি সহায়তা না পেলে তাদের পক্ষে আবার ব্যবসা শুরু করা কঠিন হয়ে পড়বে।

‎এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র ফায়ার ফাইটার মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে তদন্ত শেষে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ এবং আগুন লাগার সঠিক কারণ জানা যাবে।”

‎তিনি আরও জানান, বাজারের দোকানগুলো ঘনবসতিপূর্ণ হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তবে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের দ্রুত পদক্ষেপের কারণে আশপাশের আরও কয়েকটি দোকান রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।

‎ঘটনার পর এলাকাবাসীর মধ্যে শোক ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ব্যবসায়ী নেতারা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি বাজার এলাকায় বৈদ্যুতিক লাইনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ

ক্যাটাগরি