• মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বিশ্ব শিক্ষক দিবস:মনপুরার বসির আহাম্মেদ যেভাবে হলেন পুরো উপজেলার ‘বসির মাস্টার’ ছয় বছর আত্মগোপনে থেকেও শেষ রক্ষা হলো না,ভোলায় যাবজ্জীবন সাজা/প্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার। ভোলায় ৪০ পিস ইয়াবাসহ দুইজন আটক,পৃথক দুটি মামলা শেষ রজনীতে মহামায়ার বিদায়ী বার্তা—‘আবার ফিরবো,সমাজের বিভাজনকে চ্যালেঞ্জ করবো’ ভেলুমিয়ার বাঁধের পাড়ে ভোলায় চালু হচ্ছে কায়াকিং পয়েন্ট ভোলায় অনলাইন জুয়া চক্রের সদস্য গ্রেপ্তার, সতর্ক করল পুলিশ ভোলায় বৃদ্ধ বাবাকে গলায় চাপ দিয়ে হত্যা’চেষ্টার অভিযোগ, ছেলে গ্রেপ্তার বোরহানউদ্দিনে জমি দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ বোরহানউদ্দিনে ইয়াবাসহ গ্রেফতার এক,২০ পিস ইয়াবা,নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন উদ্ধার দৌলতখানের চাঞ্চল্যকর হ’ত্যা মামলায় গ্রেফতার ২

বোরহানউদ্দিনে কলেজ ছাত্র অপহরণ ও নির্যাতন: ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ

NEWS ROOM / ১৬৮ বার ভিউ
আপডেট : শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬




ইউসুফ হোসেন অনিক, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট:
‎ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় এক কলেজ ছাত্রকে অপহরণ করে বেধড়ক মারধর এবং ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কয়েকজন যুবকের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনাটি গত ১০ এপ্রিল বিকেলে বোরহানউদ্দিন সরকারি আব্দুল জব্বার কলেজ এলাকায় ঘটে।
‎
‎অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী মোঃ মাসুম (২০) লালমোহন উপজেলার চরভূতা ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং সরকারি আব্দুল জব্বার কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। তিনি কলেজের ছাত্রাবাসে বসবাস করতেন।
‎
‎ঘটনার দিন বিকাল আনুমানিক ৫টা ১৫ মিনিটে একই কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র মোঃ তাওহিদ (২২) মেসেঞ্জারের মাধ্যমে মাসুমকে কলেজ মাঠে ডেকে নেয়। সেখানে আগে থেকে অবস্থান নেওয়া মোঃ মেহেদী (২৫) সহ কয়েকজন মিলে তাকে কলেজের পেছনে নিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে।
‎
‎মারধরের একপর্যায়ে অভিযুক্তরা মাসুমের কাছ থেকে নগদ ৬০০ টাকা এবং আনুমানিক ৫৭ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের একটি আইফোন ১৩ প্রো ছিনিয়ে নেয়। পরে তাকে জোরপূর্বক একটি অটোরিকশায় তুলে কাচিয়া ইউনিয়নের একটি নির্জন বাগানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আবারও লাঠি দিয়ে মারধর করে তার পরিবারের কাছে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা পাঠানোর জন্য একটি বিকাশ নম্বরও দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
‎
‎এক পর্যায়ে মাসুম প্রাণভয়ে সেখান থেকে পালিয়ে আসতে সক্ষম হন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
‎
‎ভুক্তভোগীর বাবা সালাউদ্দিন বলেন, “অনেক আশা নিয়ে ছেলেকে কলেজে ভর্তি করিয়েছিলাম। এমন ঘটনার শিকার হবে তা কখনো ভাবিনি। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”
‎
‎এ বিষয়ে সরকারি আব্দুল জব্বার কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল হালিম জানান, অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
‎
‎বোরহানউদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
‎
‎অন্যদিকে, অভিযুক্ত তাওহিদের বাবা নুর ইসলাম তার ছেলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবে অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান। এছাড়া অপর অভিযুক্ত মেহেদীর পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে।
‎


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ

ক্যাটাগরি