• বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ভোলায় দুর্গোৎসবের নিরাপত্তায় মাঠে পুলিশ সুপার,তিন থানার পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শান্তিপূর্ণ উদ্‌যাপন ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান,নিরাপত্তায় জেলা পুলিশের নিয়মিত তদারকি। লালমোহনে দুর্গাপূজার মণ্ডপে স্পিকার, পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসক, মদন মোহন জিউ মন্দির পরিদর্শন,সম্প্রীতি ও নিরাপদে উৎসব উদ্‌যাপনের আহ্বান।  আজ রাতে গানে গানে মাতবে ওয়েস্টার্নপাড়া শতদল বিকাশ ক্লাব মাঠে জমবে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। মহাঅষ্টমীতে চরফ্যাশন বাজারের সব স্বর্ণের দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত ঢাকের বাদ্য আর ভক্তির আবেশে মহাসপ্তমী,মণ্ডপে মণ্ডপে প্রার্থনা মেঘনায় মা ইলিশ নিধনের ভিডিও করতেই হামলা? অভিযুক্ত কামালসহ কয়েকজন বোরহানউদ্দিনে দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে এমপি হাফিজ ইব্রাহিমের শাড়ি বিতরণ ভোলায় দুর্গোৎসবের নিরাপত্তায় মাঠে ডিসি-এসপি, পরিদর্শন বিভিন্ন পূজামণ্ডপ সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্‌যাপনে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে সম্প্রীতি, দেশটা সবার: প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান মেহেন্দিগঞ্জে মন্দিরে মন্দিরে বস্ত্র বিতরণ,সহাবস্থানের বার্তা ১৭ বছরের প্রবাসজীবনের উপার্জনে গড়া বাড়িতেই ঠাঁই নেই মোসারেফের! সম্পদের হিসাব ও বিয়েকে কেন্দ্র করে পারিবারিক বিরোধ, ১৬ লাখ টাকার মামলায় দুই দিন হাজতবাসের দাবি প্রবাসফেরত ব্যক্তির

স্বর্ণের কলস দেওয়ার প্রলোভন, ‘জ্বীনের বাদশা’ পরিচয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে উধাও দম্পতি।

NEWS ROOM / ৪৯ বার ভিউ
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬




মো.ছিদ্দিকুর রহমান সোহেল ভোলা প্রকাশঃ

ভোলা সদর উপজেলার চরসামাইয়া ইউনিয়নে ‘জ্বীনের বাদশা’ পরিচয় দিয়ে অলৌকিক ক্ষমতার কথা বলে স্বর্ণের কলস দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দুই পরিবারের কাছ থেকে লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক প্রতারক দম্পতির বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, অভিযুক্ত দম্পতি নিজেদের জ্বীনের মাধ্যমে গুপ্তধনের সন্ধানদাতা হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রথমে তাদের আস্থা অর্জন করে। পরে স্বর্ণের কলস তুলে দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন সময় ‘পূজা’, ‘তাবিজ’, ‘জ্বীনের খরচ’ ও নানা অজুহাতে ধাপে ধাপে বিপুল পরিমাণ টাকা আদায় করে।
একপর্যায়ে নির্ধারিত দিনে স্বর্ণের কলস দেওয়ার আশ্বাস দিলেও পরে ওই দম্পতির মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তাদের বাড়িতেও গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। এরপর প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে ভুক্তভোগী দুই পরিবার দিশেহারা হয়ে পড়েন।
স্থানীয়দের দাবি, এ ধরনের প্রতারণার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাস ও সরলতার সুযোগ নেওয়া হচ্ছে। তারা দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা। পাশাপাশি প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে গুজব, অলৌকিক শক্তি কিংবা গুপ্তধনের লোভে প্রতারকদের ফাঁদে পা না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ

ক্যাটাগরি