চন্দ্র শেখর দে (আপন) ভোলা প্রকাশঃ
যেখানে স্বপ্নের বীজ বপন হয় মাটির গভীরে, সেখান থেকেই অঙ্কুরিত হয় সাফল্যের বৃক্ষ। ভোলার লালমোহন উপজেলার রায়চাঁদ ইউনিয়নের চর উমেদ গ্রামে জন্ম নেওয়া এক সাধারণ ছেলে, সঞ্জয় কুমার দে দুর্জয়, আজ বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের একজন সম্মানিত আইনজীবী। তাঁর এই যাত্রা কেবল ব্যক্তিগত সাফল্যের নয়, বরং একটি সমাজের, একটি সম্প্রদায়ের, একটি জাতির গর্বের প্রতীক।
*শিক্ষাজীবনের সূচনা:*
সঞ্জয় কুমার দে দুর্জয় তাঁর শিক্ষাজীবনের সূচনা করেন রায় চাঁদ উদয় চন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। সেখান থেকে এসএসসি পাশ করার পর, মনপুরা ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি ও ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। এরপর, তিনি ঢাকার আইডিয়াল ল’ কলেজ থেকে প্রিলিমিনারি এবং মেট্রোপলিস আইডিয়াল ল’ কলেজ থেকে ফাইনাল সম্পন্ন করেন। পাশাপাশি, কবি নজরুল সরকারি কলেজ থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করে নিজেকে শিক্ষা ও প্রজ্ঞায় সমৃদ্ধ করেন।
*পেশাগত জীবনের উত্থান:*
কাউন্সিলের কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে, সঞ্জয় কুমার দে দুর্জয় ঢাকা জজ কোর্টে আইন পেশায় আত্মপ্রকাশ করেন। সুনামের সঙ্গে আইনি লড়াই চালিয়ে যান, মানুষের পাশে দাঁড়ান। অবশেষে, তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে উত্তীর্ণ হয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন এক অনন্য উচ্চতায়।
*ধর্মীয় ও সামাজিক অবদান:*
তাঁর পরিচয় কেবল একজন আইনজীবী হিসেবে নয়; তিনি শ্রী শ্রী জগন্নাথ নাম হট্র মন্দির কমিটির সম্মানিত সভাপতি। এই মন্দিরে তিনি ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন, যা সমাজে নৈতিকতা ও মানবিকতার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
*সংবর্ধনা ও বৈষ্ণব সেবা অনুষ্ঠান:*
তাঁর এই অসাধারণ সাফল্য ও অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ, মনপুরা শ্রী শ্রী জগন্নাথ নাম হট্র মন্দির কমিটি ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে একটি বিশাল সংবর্ধনা ও বৈষ্ণব সেবা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠান কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি একটি সমাজের কৃতজ্ঞতা, ভালোবাসা ও সম্মানের প্রকাশ।
*উপসংহার:*
সঞ্জয় কুমার দে দুর্জয়-এর জীবন আমাদের শেখায় যে, কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও নৈতিকতার মাধ্যমে যে কেউ অসাধারণ সাফল্য অর্জন করতে পারে। তাঁর এই যাত্রা আমাদের জন্য একটি অনুপ্রেরণা, একটি পথপ্রদর্শক