রিয়াজ ফরাজী
ভোলার দৌলতখান পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন শুরু করেছেন ইতি বেগম নামে এক নারী। তিনি ৪৩ নম্বর উত্তর বিজয়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নাইমুল হাসানের স্ত্রী এবং দুই সন্তানের জননী বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দৌলতখান পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চুনু মিয়ার ছেলে ফাহাদের সঙ্গে ইতি বেগমের প্রায় ছয় মাস ধরে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে বলে দাবি করেছেন ওই নারী। তাঁর অভিযোগ, ফাহাদ তাঁকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে তিনি ফাহাদের বাড়িতে গিয়ে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করেন।
একদিকে প্রায় ১১ বছরের সংসার ও দুই সন্তান, অন্যদিকে ছয় মাসের প্রেমের সম্পর্ক—এমন পরিস্থিতিতে ইতি বেগমের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা চলছে। তাঁর দাবি, ফাহাদ তাঁকে বিয়ে না করলে তিনি আগের সংসারে ফিরে যাবেন।
এদিকে ইতি বেগমের অনশনের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ফাহাদ ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা বাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
তবে ইতি বেগমের অভিযোগের বিষয়ে ফাহাদ ও তাঁর পরিবারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা, সম্পর্কের প্রকৃতি এবং বিয়ের প্রতিশ্রুতির বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা চলছে। এ পরিস্থিতির সমাধানে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য ও প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।