
সেদিনের নৃশংস হত্যাকাণ্ডে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে প্রাণ হারান তাঁর সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, তিন ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শেখ রাসেল এবং পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল। একই ঘটনায় বঙ্গবন্ধুর ভাই শেখ আবু নাসেরসহ আরও কয়েকজন নিহত হন।
একই রাতে বঙ্গবন্ধুর ভাগনে শেখ ফজলুল হক মনি ও তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি এবং বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাতের পরিবারের কয়েকজন সদস্যও হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।
তবে দেশের বাইরে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা।
দীর্ঘদিন ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হলেও ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এ উপলক্ষে সরকারি ছুটি বাতিল করা হয়। বর্তমানে দিনটি ঘিরে রাষ্ট্রীয় আয়োজনের ধরনেও এসেছে পরিবর্তন।
বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত ও বেদনাবিধুর অধ্যায়। ১৫ আগস্ট ঘিরে প্রতিবছরই তাঁর রাজনৈতিক ভূমিকা, বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে অবদান এবং সেই রাতের হত্যাকাণ্ডের ইতিহাস নতুন করে আলোচনায় আসে।