স্টাফ রিপোর্টার।।
ভোলায় বন্ধুদের সঙ্গে মোটরসাইকেল প্রতিযোগিতা দিতে গিয়ে মো. ফারদিন (২০) নামে দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক স্কুল ছাত্র নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় দুইটি মোটরসাইকেলে থাকা আরো দুই শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তাদেরকে ভোলা সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে জেলার সদর উপজেলা ভোলা-ভেদুরিয়া আঞ্চলিক সড়কের মাদরাসা বাজার সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীন ফকির এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত ফারদিন সদর উপজেলা ২নং পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড কালুপুর গ্রামের পুলিশ কর্মকর্তা (এসআই) মো. হোসেনের ছেলে। ফারদিন ভোলা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে সদর মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার মো. মামুন হোসেন জানান, দুইটি মোটরসাইকেল নিয়ে ফারদিন ও তাঁর ৫ বন্ধুরা ভোলা খেয়াঘাট থেকে মোস্তফা কামাল বাসস্ট্যান্ডের দিকে যাচ্ছিলেন। মোটরসাইকেল দুইটির গতি ছিল বেপরোয়া। তাঁরা মোটরসাইকেল দুইটি প্রতিযোগিতা করে চালিয়েছিলেন। বেপরোয়া গতি নিয়ে মোটরসাইকেল দুইটি ভোলা-ভেদুরিয়া আঞ্চলিক সড়কের মাদরাসা বাজার সংলগ্ন এলাকায় এসে পৌঁছালে ফারদিন যে মোটরসাইকেলটি চালিয়েছিল সেটি বা দিকে মোড় দিলে পাশে থাকা মোটরসাইকেলের সঙ্গে লেগে গিয়ে সে (ফারদিন) মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে সড়কে পড়ে যায়। তাৎক্ষণিক স্থানীয়রা তাকেসহ তাঁর মোটরসাইকেলে থাকা দুই বন্ধুকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসক ফারদিনের অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে তাকে বরিশাল শেরে-বাংলা (শেবাচিম) মেডিকেল কলেজে প্রেরণ করেন। সেখানের দায়িত্বরত চিকিৎসক জানায় ফারদিনের মাথা মারাত্মকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। মাথার খুলি ভেঙে ভিতরে ডুকে গেছে। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যেতে হবে।
দুপুর ১টার দিকে শেবাচিম হাসপাতাল থেকে তাকে ঢাকা নেয়ার পথে মাদারীপুর জেলায় এম্বুলেন্সে তাঁর মৃত্যু হয়।
পুলিশের এ কর্মকর্তা আরো জানান, এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।